মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
মঙ্গলবার ● ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির (আইসিটি) ব্যবহার
--- মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)
Published : Sunday, 8 December, 2019 at 10:03 PM
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (০৮ ডিসেম্বর) :-
মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)

মো. আব্দুস সালাম (শিপলু)


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ) আইসিটি একটি সর্বজনীনভাবে গ্রহণযোগ্য শিক্ষা যন্ত্র। যা শিক্ষা ব্যবস্থায় কার্যকারিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য পরিকল্পিত করা হয়েছে। স্কুল ব্যবস্থায় শিক্ষা দানের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। শিক্ষা ব্যবস্থায় কাজকর্ম দ্রুত ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক টেকনোলজিতে দক্ষ করার লক্ষে সারা বিশ্বজুড়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়োগ করা হয়েছে।

তথ্য প্রযুক্তি কি?
তথ্য কথার ইংরেজি অর্থ হল ইনফরমেশন আর প্রযুক্তি কথার অর্থ হল টেকনোলজি। তথ্য প্রযুক্তি বলতে তথ্য সংগ্রহ, তথ্য যাচাই, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, বিতরণ, আধুনিকীকরণ সম্পর্কযুক্ত প্রযুক্তিকে বলা হয় তথ্য প্রযুক্তি। সাধারণ অর্থে তথ্য ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত প্রযুক্তিকে তথ্য প্রযুক্তি বলা হয়।

যোগাযোগ প্রযুক্তি কি?
ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির যোগাযোগ প্রযুক্তি বা কমিউনিকেশন টেকনোলজি বলা হয়।

আইসিটি কি?
যে প্রযুক্তির মাধ্যমে কোন তথ্যকে একস্থান হতে অন্যস্থানে বা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে বা এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তর বা একজনের তথ্য অন্যের নিকট স্থানান্তর করা হয় তাকেই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলে।

গ্লোবাল ভিলেজ/বিশ্বগ্রাম কি?
বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজ বলতে সাধারণত এমন একটি ধারণাকে বোঝানো হয় যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে লোকজন পরস্পরের সাথে সহজে যাতায়াত ও ভ্রমণ, গণমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে যুক্ত থাকে এবং ক্রমেই একটি একক কমিউনিটিতে পরিণত হয়।

শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োজন কেন?
শিক্ষা জ্ঞান বৃদ্ধির ও সমাজে প্রযুক্তির অগ্রগতির পাশাপাশি শিক্ষার দক্ষতা প্রয়োজন। তাই শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োজন।

শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারঃ
শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার : নতুন তথ্য প্রযুক্তি শিক্ষা ও শিক্ষার ঐতিহ্যগত প্রক্রিয়া এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে পরিচালিত করে। এটি শিক্ষণ দক্ষতা এবং শেখার ক্ষমতা উন্নত করার জন্য প্রচুর পরিমাণে সম্পদ সরবরাহ করে। 
নিম্নে রইল শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার –

শিক্ষাগত জীবন সহজ করে তোলার জন্যঃ
শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার একটি সুবিধা হল সকলের জীবনকে সহজ করে তোলা। সফটওয়্যার ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে আপনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচলনা করতে সক্ষম।

ডিস্টেন্স শিক্ষণঃ
একক চাহিদার সঙ্গে পরিবর্তনশীল জনসংখ্যার মানিয়ে নিতে এবং জনসংখ্যা বিষায়ক পরিসেবা সরবরাহের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিযুক্ত করেছে। অনলাইন কোর্সগুলি বেশিরভাগ কর্মী বা তরুণ প্রজন্মকে ডিস্টেন্স শিক্ষণ পরিষেবা দিয়ে থাকে।

রেকর্ড সুরক্ষিত থাকেঃ
আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের রেকর্ড আরও সুরক্ষিত পদ্ধতিতে রাখা সম্ভব হয়ে উঠেছে। আগেকার দিনে রেকর্ডগুলি ফাইলে রাখা হত যা হারিয়ে যাওয়ার প্রবণতাটা বেশি থাকত। বর্তমানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবস্থায় রেকর্ডগুলি কম্পিউটারইজ করে রাখার ফলে হারানোর ঝুঁকির প্রবণতা কম থাকে।

জ্ঞান অর্জনঃ
এই টেকনোলোজির দুনিয়ায় অনলাইনে জ্ঞান অর্জন করা যায় । অনলাইন আলোচনা ফোরামের মাধ্যমে, শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করতে পারে এবং বিতর্কে অংশগ্রহণ করতে পারে পাশাপাশি একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারে।

অনলাইন লাইব্রেরি তথ্যঃ
ইন্টারনেট হাজার হাজার পরিষেবা প্রদান করে থাকে। তার মধ্যে একটি হল অনলাইন লাইব্রেরি। যার থেকে আমরা প্রচুর পরিমাণ তথ্য পেয়ে থাকি। তথ্য প্রযুক্তির পাঠ্যক্রমের অংশ হিসাবে, শিক্ষার্থীরা গবেষণারর সাজসরঞ্জাম হিসাবে কম্পিউটারকে বিবেচনা করে থাকে।

মাল্টিমিডিয়া শিক্ষাঃ
উন্নত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা মাল্টিমিডিয়া শিক্ষা অর্জন করতে পারি। অডিও ভিজুয়াল শিক্ষা, পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, এবং, সামগ্রী, শব্দ শিক্ষাগত উদ্দেশ্যের সঙ্গে জড়িত।

ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কাজেঃ
সঠিক সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কোন সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠানকে প্রভাবিত করবে তা খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার সাহায্য আসতে পারে। এটি স্কুলের প্রতিবেদনগুলি বজায় রাখতে সহায়তা করে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেও ভাল সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

শিক্ষার্থীদের রিপোর্ট তৈরি করতেঃ
ক্যাম্পাসের বৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা পরীক্ষা করার জন্য, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে মাসিক রিপোর্ট নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। শিক্ষার্থীদের রিপোর্টগুলি আরও উন্নত করার জন্য শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তি নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রযুক্তি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করেঃ
কম্পিউটার ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা যা শিখছে তা নিয়ন্ত্রণে থাকে। যেহেতু কম্পিউটার মানুষের তুলনায় ধৈর্যশীল তাই শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির সঙ্গে সহজেই শিখতে পারে। কম্পিউটার টেকনোলজির মাধ্যমে শিক্ষকরা শ্রেণীকক্ষে শিক্ষা প্রদান করে। এবং শিক্ষার্থীরাও গবেষণা করতে পারেন। এতে তাদের পড়াশুনোর ক্ষেত্রে অনেক তথ্য সংগ্রহ করতে সুবিধাজনক।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অফিস কার্যালয়ে আইসিটিঃ
বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে সরকার কর্তৃক (১) অফিস সহকারী কাম হিসাব সহকারী (২) অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নামে পদ রয়েছে। যারা সকলেই কম্পিউটার পরিচালনা করে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল কাজ ও অনলাইনে তথ্য আদান-প্রদান, শিক্ষার্থীর ভর্তি আবেদন, ভর্তি, রেজিষ্ট্রেশন, ফরম ফিলাপ, রেজিষ্ট্রেশন-প্রবেশ পত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করা সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিসের যাবতীয় অন্যান্য কাজ করছে। 

এক সময় ছিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে আইসিটি (কম্পিউটার শিক্ষা) শিক্ষক ব্যতিত কেহ কম্পিউটার কাজ করতে পারতোনা। সরকারী বিধিমালা অনুযায়ী কম্পিউটার শিক্ষকের কাজ হলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীর একাডেমিক পাঠদান বিষয়ক কাজ। এক সময় এমন ছিল, এলাকায় ব্যক্তিমালিকানায় কম্পিউটার সেন্টার না থাকা ও অফিস কার্যালয় স্টাফরা কম্পিউটার জানতোনা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ কম্পিউটার জানতো না ফলে বাধ্য হয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস কার্যালয়ের দরকারি কাজ কম্পিউটার শিক্ষককে অনুরোধ করে করে নিত। এ বিষয়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার শিক্ষকদের একাধিক লিখিত অভিযোগের পর সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এক সময় কম্পিউটার শিক্ষকদের শুধুমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পাঠদান করার অফিসিয়াল নির্দেশনা দেয়। কম্পিউটার বিষয়ে শিক্ষকদের একাডেমিক কাজের বাহিরে অন্য কোন কাজ না করাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদেরকে নির্দেশনা প্রদান করে। 

এক সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর কর্মরত অফিস সহকারী বা নিম্নমান অফিস সহকারীরা টাইপিং এর কাজ করতে পারতো। বর্তমানে টাইপিং মেশিনের পরিবর্তে অফিসে এসেছে কম্পিউটার। স্টাফদের পদের নাম পরিবর্তন এসেছে। অফিস স্টাফদের কম্পিউটার জানা বাধ্যতামূলক করেছে। যাদের জানা নেই তারা স্থানীয় কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার হতে প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করে সুন্দরভাবে অফিসে কাজ করছেন। সরকারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর অফিস কার্যালয়ে অফিসে কাজকর্মের জন্য কম্পিউটার, প্রিন্টার প্রদান করে আসছেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি বিভাগঃ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি বিভাগ সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে বা সরকারি অর্থায়নে আইসিটি ল্যাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আইসিটি বিষয়ে দক্ষ হিসাবে গড়ে তুলছে। তেমনি সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রয়োগ/ব্যবহার করতে কাজ করে থাকে। ফলে সকল শিক্ষকরা মাল্টিমিডিয়া ক্লাশ রুমে আধুনিক পাঠদান করে আসছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের শিক্ষকদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যেকোন বিষয়ের সকল সন্মানীত শিক্ষকগণদেরকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে আইসিটি ল্যাবে বা সরকারী অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত নিজস্ব আইসিটি ল্যাবে শিক্ষকগণ শিক্ষা বিষয়ক নিজ নিজ প্রয়োজনীয় কাজ নিজেরটা নিজে করে নিচ্ছে। সরকারের অার্থিক সিমাবদ্ধতা থাকা সত্বেও প্রায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে সরকার অাধুনিক ভবন নির্মাণ করে আসছে। 

সরকারি সহায়তায় বিভিন্ন সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইসিটি বিষয়ক দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে আসছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি বিভাগ দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে থাকে। তারপর সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি বিভাগ সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে আইসিটি দক্ষতা বৃদ্ধি/প্রয়োগ/ব্যবহার ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে। ফলে সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি শিক্ষকের মাধ্যমে সে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অন্য বিষয়ের সন্মানীত সকল শিক্ষরগণ আইসিটি/কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করছে। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণকে প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সরকার বিভিন্ন সময় দক্ষতা বৃদ্ধির ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ করতে আইসিটি প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে। সরকারের পরিকল্পনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি বিভাগ গুলো সরকারের সহায়তায় পর্যায়ক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি করে শিক্ষার্থীদের হাতেকলমে জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করা। তেমনি সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে পর্যায়ক্রমে আইসিটি প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রশাসনিক দক্ষ করছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের সকল শিক্ষককে পর্যায়ক্রমে নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি বিভাগের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি করে শিক্ষা ব্যবস্থায় সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে।
পরিশেষঃ
তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার শিক্ষা ক্ষেত্রকে আরও উন্নত পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে।এগিয়ে যাচ্ছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

লেখক পরিচিতি :
মো. আব্দুস সালাম (শিপলু) 
ডিপ্লোমা (কম্পিউটার), এমএসএস (এশিয়ান ইউনিভার্সিটি)
প্রদর্শক, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)
জয়লা জুয়ান ডিগ্রী কলেজ, শেরপুর, বগুড়া, বাংলাদেশ।


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
ঐতিহ্য ও ঐক্যের বন্ধনে মৌলভীবাজার জেলা সমিতি
কক্সবাজারের ইনানীতে নির্মিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের আইকনিক টাওয়ার সম্বলিত ফাইভ স্টার হোটেল এন্ড রিসোর্ট
মায়ের আদেশে প্রতিদিন পাঁচজন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেন অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান তরফদার
জালালাবাদ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত : চিকিৎসা সেবা পেলেন অর্ধশতাধিক রোগী
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)