
| Headline : |
|
আমাদের শিক্ষা-ব্যবস্থা জব ওরিয়েন্টেড হওয়া উচিত। আর শিক্ষার্থীরা যদি এই কম্পিটিশনের যুগে টিকতে চায় তাহলে তাদের লেখাপড়া করতেই হবে
বেকার যুবকরা আমাদের দেওয়া লোন কাজে লাগিয়ে ছোট ছোট প্রোডাক্টিভ কিছু করতে পারে
-মোহাম্মদ ইসমাইল, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
|
![]() বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। যে ব্যাংক দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কৃষকদের লোন দিয়ে এদেশের কৃষি উৎপাদনে রাখছে বিশেষ ভূমিকা। সেই ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল। তিনি মাসিক শিক্ষাতথ্যকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ব্যাংকের কর্মকা- ও ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। কৃষি ব্যাংকে তাঁর দায়িত্ব পালন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, কৃষি ব্যাংকের দায়িত্ব অল্প-স্বল্প আবার বেশি বেশি। কৃষি ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক, এটি কৃষকদের জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। বিশেষ করে এগ্রিকালচার সেক্টরে যারা কাজ করে তাদের জন্যই এ ব্যাংক। আগের দিনে শুধু কৃষি সংক্রান্ত বিষয় ছিল-চাষবাস। এখন এ্যাগ্রোবেইজ যতো ইন্ডাস্ট্রি আছে এবং সেগুলো দেখাশোনা করে। এসএমই, স্মল-মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস, তারপর আছে কুঠির শিল্প অর্থাৎ গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে মিল রেখে ছোট-খাটো সকল ধরনের কাজই করে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক । স্বাভাবিকভাবে এসব দেখার দায়িত্ব বোর্ডের। আর বোর্ডের আমি চেয়ারম্যান। সেই হিসেবে যা দায়িত্ব বর্তায় তা তো আমাকে পালন করতেই হয়। ![]() কি কি পদক্ষেপের মাধ্যমে কৃষি ব্যাংকের উন্নতি বা অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে বলে আপনি মনে করেন? এমন এক প্রশ্নের জবাবে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, আমরা কৃষিতে লোন দেই। যে কারণে দেশের খাদ্য উৎপাদন চারগুণ বেড়েছে। এই খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির পিছনে অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে। ব্যাংক লোন দেই, বিএডিসি সার দেয়, আবার সার থেকেও বীজটা বেশি দেয়। আবার কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট আছে, তারা নতুন নতুন জাত বের করে। অনেকে মিলে কাজটা করে। তার মধ্যে আমরা হলাম কৃষি ব্যাংক, আমরা মেইন রোলটা প্লে করি। কারণ সবকিছু পাওয়ার পর যদি টাকা না পায় তাহলে কাজ হয় না। আমরা টাকা দেই। আমরা লোন দেই। আমরা লোনটা বাড়ানোর চেষ্টা করছি। এ বছর আমরা দশ হাজার কোটি টাকা লোন দেবো ইনশা-আল্লাহ্; যেটা কামিং অর্থাৎ পরবর্তী সিজনে কাজে লাগাবে। ![]() এপ্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, আমরা এবছর লোনটা বাড়াচ্ছি দুটি কারণে; তা হলো একটা-কৃষি কাজে কাজ করতে টাকা বেশি লাগে। আর আমরা চাই মানিটা গ্রামীণ সেক্টরে সার্কুলেট হোক। কারণ আপনি যদি উন্নত বা মধ্য আয়ের দেশ হতে চান তাহলে শুধু ঢাকা শহর হলে হবে না, গ্রামে যেতেই হবে। গ্রামে যাওয়ার জন্যই আমাদের এই মানি ইনক্লড, যাতে ওইখানে হয় সেজন্য আমরা ঋণের টাকার পরিমাণটা বাড়াচ্ছি। পদ্ধতিটা সহজ করার জন্য আমরা একটা কমিটিও গঠন করেছি; যাতে মানুষ সহজে লোনটা পায়। লোন পেতে যদি দেরি হয় বা কষ্ট পায় তাহলে সে আর এটি নিতে চাইবে না। ![]() আমরা দেখেছি সারাবিশ্বই অর্থনীতির এক অচলাবস্থা চলছে, কৃষি ব্যাংকের অর্থনৈতিক মন্দাবস্থা কাটাতে আর কী কী উদ্যোগ নিয়েছেন? আপনিও বলেছেন এটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানও নয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, লাভজনক প্রতিষ্ঠান না সেটির কারণটা একটু ভিন্ন। কষ্ট অফ ফা-ের চেয়ে কম সুদে আমরা ঋণ দেই। তাহলে আমাদের লাভ হবে কিভাবে। আমরা লাভ করতে পারবো যদি ১১ এর স্থলে ১৩ পার্সেন্ট সুদ নেই। তাহলে তো কৃষকরা মানবে না। কিন্তু সরকারের উচিত আমাদের সাবসিডি দেওয়া। সরকার সেই সাবসিডি সব সময় দেয় না। আগে কিছু টাকা দিতো, এখন আর দেয় না। এবারও এক/দেড়শো কোটি টাকা দিয়েছে সেটি পুরানা পাওনা, নতুন করে আর কোনো অতিরিক্ত বরাদ্দ নেই। না দিলে লোকসান ছাড়া কোনো পথ নাই। হয় আমাদের ইন্টারেস্ট রেট বাড়াতে হবে, নইতো আমাদের লোকসান গুণতে হবে। শিক্ষাখাত সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, শিক্ষাখাতে আমাদের কোনো অবদান নেই। আমরা কৃষির উপরই লোন দিয়ে থাকি। বেকারত্ব দূরীকরণের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, আমাদের প্রচুর লোন আছে, যেমন এসএমই লোন। শিক্ষিত ছেলে-মেয়েরা ছোট-খাটো লোন নিয়ে গরুর খামার করতে পারে। বেকারত্ব দূর করতে পারে বেকার যুবকরা। এবিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। কিন্তুছেলে-মেয়েরা তা করতে চায় না। তারা এমএ, বিএ পাস করে শুধু চাকরি করতে চায়। চাকরি চায় কোনখানে, তাও আবার কতকগুলো গভর্নমেন্ট এজেন্সিতে। তাহলে সেখানে ভিড়টাতো বাড়বেই। তাকে যে প্রোডাক্টিভ কিছু করতে হবে, সে যে অন্যকে চাকরি দিতে পারে, তা সে চায় না। আর তাই সে বছরের পর বছর চাকরির জন্য ঘুরতে থাকে। অথচ এই সময় তারা চাকরি করলে অনেক কিছু করতে পারতো। আমি মনে করি, আমাদের যে লোন আছে এগুলো তারা কাজে লাগিয়ে ছোট ছোট প্রোডাক্টিভ কিছু করতে পারে। যেমন, একটা বললাম গরু পালতে পারে। সে যে কোনো এ্যাগ্রোবেইজড ফুলের চাষ করতে পারে। কৃষি ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতা সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা হলো কৃষক ও কৃষি উন্নয়নে লোন দেওয়া। অন্যান্য ব্যাংকের কথা যদি বলেন যে তারা বিভিন্ন খাতে ইনভেষ্ট করে। কিন্তু আমরা তাদের মতো পারি না। আমরা যে কাজটা করি সেটাই সমাজ উন্নয়নে কাজে লাগে অর্থাৎ এটি আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা। কারণ আমাদের কাজটা গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। মৎস্য ক্ষেত্রে, কৃষি ক্ষেত্রে, তারপর পশু পালনের ক্ষেত্রে, তারপর কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজের ক্ষেত্রে। তারপর স্মল-মিডিয়াম এসএমই’র ক্ষেত্রে। ওইসব ক্ষেত্রে উন্নতি করতে পারলে সামাজিক উন্নয়ন হবে। সুতরাং টাকা দিয়ে লেপ আর কম্বল কিনে দিয়ে যে উন্নয়ন-ওইখানে আমাদের খুব একটা রোল নেই।পুরো বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল, তো কৃষি ক্ষেত্রে আপনাদের কি ধরনের ভূমিকা রয়েছে? এমন এক প্রশ্নের জবাবে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ডিজিটাল বলতে মর্ডানাইজেশনকেই বোঝায়। এখন গরুর চাষ নেই, আমরা কৃষি খাতকে মেকানাইজড করার জন্য প্রচুর লোন দেই। যেমন ট্রাকটর নিতে চান, মেকানাইজেশনের ক্ষেত্রে পাওয়ার টিলার, ধান কাটার মেশিন, যেখানে যেটা প্রয়োজন সেখানে আমরা লোন দেই। কৃষিক্ষেত্রে আমরা একটা মর্ডানাইজেশন চাই। আগামীতে এমন একটা দিন আসবে যখন ছোট ছোট কৃষক থাকবেও না। সবাই মিলে এমনটাই করবে; এখনই যেমন কৃষকেরা গরু দিয়ে চাষ করে না। তারা পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষ করায়। কৃষি ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি হয়েছে কিন্তু বর্তমানে ধানের মূল্য বা চাউলের মূল্য অনেক বেশি। এ বিষয়ে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, চাউলের মূল্য যদি বেশি হয় সেটি কৃষকের লাভ। ধান-চালের ক্ষেত্রে দামের খুব একটা বেশি পর্থক্য হয় না। যেমন টমেটোর কথা যদি চিন্তা করেন সেটিতে অনেক পার্থক্য হয়। উৎপাদন পর্যায় থেকে ক্রেতা পর্যন্ত অনেক পার্থক্য থাকে। ধানের ও চালের ক্ষেত্রে তেমন একটা পার্থক্য হয় না। কারণ ওই কাঁচা সবজিগুলো আনার যে কষ্ট, কেয়ারিং কষ্ট বেশি, তারপর মাঝখানে যে নষ্ট হয় অর্থাৎ ড্যামেজ কষ্টও রয়েছে। কাঁচামালের ক্ষেত্রে ওই নিয়মই রয়েছে। যে জিনিস তৈরি করতে এক টাকা খরচ হয় সেই জিনিস শেষ পর্যন্ত ১৬ টাকায় গিয়ে দাঁড়ায়। একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে মন্তব্য জানতে চাইলে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, শিক্ষার কোয়ালিটি বাড়ানো দরকার। শিক্ষার কোয়ালিটি বাড়াতে হলে প্রাইমারী যে শিক্ষাটা আছে সেখানে বেশি জোর দিতে হবে। ধরেন ১ ইষ্টু ২০ ছাত্র। তাকে যদি ওইখানে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, তাহলে উপরে গিয়ে সমস্যা হবে না। আরেকটি হলো- ছেলে-মেয়েরা বিভিন্ন কলেজ থেকে শুধু পাসই করে, কিন্তু পাস করে তারা কী করবে সেবিষয়ে কোন লক্ষ্য নেই। আসলে আমাদের শিক্ষা-ব্যবস্থাটা এমন হওয়া যে পাস করে ছেলে-মেয়েরা করবে কি? শিক্ষা হওয়া উচিত-একটি জব ওরিয়েন্টেড শিক্ষা ব্যবস্থা। সুতরাং যে খাতে তার শিক্ষাটা লাগবে সে খাতে যাওয়া উচিত। এমএ আর বিএ পাস প্রচুর রয়েছে। পরে সে পিয়নের চাকরি চায়। তাহলে ছেলে-মেয়েরা ষোলো বছর ওখানে কেনো লেখাপড়া করলো? ওদেরতো অতো লক্ষ্যহীনভাবে পড়াশুনা করার দরকার নেই। ওদের দরকার এইট পাস হলেই চলে। তখন তারা পিয়নের চাকরি চাইলেও সমস্যা নেই। একজন অভিভাবক হিসেবে ছাত্র-তরুণদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ চাইলে জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল বলেন, আমি বলবো লেখাপড়া করতে। তাদের লেখাপড়া করা উচিত। লেখাপড়া ছাড়া উপরে উঠতে পারবে না। যদি কম্পিটিশনের এই যুগে টিকতে হয় তাহলে লেখাপড়া করতে হবে। জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল-এর সংক্ষিপ্ত জীবনী ![]() জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল ১৯৪৯ সালের ২৩ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম-আলহাজ্ব নুর মোহাম্মদ, মাতা-হালিমা বেগম। তাঁর সহধর্মিণী-বেগম লুলু মারজা, এমএ। তিনি এক ছেলের জনক। তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ মাহমুদ হাসান, ব্যারিস্টার-এট-ল, পুত্রবধু-ইভানা লায়লা চৌধুরী, এল.এল.বি অনার্স (লন্ডন), এমবিএ (আইইউবি), তাঁর পৌত্র: আরমান ইবনে হাসান ও আইনাল ইবনে হাসান। জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল-এর শিক্ষা জীবন শুরু হয় গালুয়া জুনিয়র হাইস্কুলে (বর্তমানে জি.কে হাই স্কুল)। অতঃপর তিনি পড়াশুনা করেন রাজাপুর হাইস্কুল, রাজাপুর (১৯৬২-৬৪), বি.এম. কলেজ, বরিশাল (১৯৬৪-৬৬), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (এসএম হল/১৯৬৬-৭২), ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়, ইংল্যান্ড (১৯৮৮-৮৯)। অর্জিত ডিগ্রী: বি.এস.সি (অনার্স), পদার্থ বিজ্ঞান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এম.এস.সি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), এল.এল.বি (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ডেভেলপমেন্ট এডমিনিস্ট্রেশন (ম্যাঞ্চেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়, লন্ডন)। তাঁর কর্মজীবন (বেসরকারি): লেকচারার (পদার্থ বিজ্ঞান), শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকা (১৯৭০-৭৬)। ভাইস- প্রিন্সিপাল, বাংলা কলেজ, মিরপুর, ঢাকা (১৯৭৬-৭৭, কর্মকালের অর্ধেকের বেশি সময় ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন)। তাঁর কর্মজীবন সরকারি: ১৯৭৭ সালে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদান। যশোর জেলা প্রশাসনে ম্যাজিস্ট্রেট/সহকারী কমিশনার/জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা (১৯৭৭-৮২), চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট ও মেম্বার, স্পেশাল মার্শাল ল’ কোর্ট, জোন-৩ (১৯৮২-৮৪), গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার ইউএনও (১৯৮৪-৮৬), সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব, গণশিক্ষা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (১৯৯২-৯৪), খাগড়াছড়ি জেলার ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেট/সিভিল জজ/ডেপুটি কমিশনার (ডিসি) (১৯৯৪-৯৮), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (১৯৯৮-২০০০), জাতিসংঘ পরিচালিত পূর্ব তিমুর প্রশাসনের ডিস্ট্রিক্ট অফিসার এবং পলিটিক্যাল এফেয়ার্স অফিসার (২০০০-২০০১), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (২০০২), বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (২০০২-০৩), কৃষি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বীজ)/অতিরিক্ত সচিব (২০০৩), বিএডিসি’র চেয়ারম্যান (২০০৪) ও বাংলাদেশ সরকারের আমদানি ও রপ্তানি অধিদপ্তরের প্রধান নিয়ন্ত্রক পদে দায়িত্ব পালন (২০০৫-০৬)। ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে স্বেচ্ছায় চাকুরি হতে অবসর গ্রহণ। বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। দেশ ভ্রমণ: জনাব মোহাম্মদ ইসমাইল তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনে বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানী, নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পূর্ব তিমুর, ভূটান, ব্রুনেই, নেপাল, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব, শ্রীলংকা ও সিঙ্গাপুর প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। অন্যান্য: বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখা, টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান যথা বিসিএস (প্রশাসন) একাডেমী ইত্যাদিতে পড়ানো, সমাজ সেবামূলক কাজ করা ইত্যাদি। |