
| Headline : |
|
বাঙালির উৎসব
-অবরুদ্ধ পথিক
|
|
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (২৭ অক্টোবর,
২০২০) :-
‘উৎসব’ কথার আভিধানিক অর্থ ‘আনন্দানুষ্ঠান’। উৎসব প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম-বর্ণ ভেদে মানুষ পালন করে আসছে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। মানুষ সভ্য জগতে পদার্পণের আগে থেকেই বাঁচার তাগিদে আদিম মানুষেরা কর্মব্যস্ত ছিল। তাদের মধ্যে ভাষা জ্ঞান না থাকলেও বিশেষ ভঙ্গি বা উচ্চারণের মাধ্যমে জোটবদ্ধ হয়ে শিকার করে পেটের ক্ষুধা নিবারণ করতো। কিন্তু নেহায়েত বসে থেকে তাদের আহারের সংস্থান অসম্ভব ছিল। কারণ তখন তাদের মধ্যে সামাজিক বন্ধন ছিল না। আস্তে আস্তে এই আদম মানুষই আজকের সভ্য জগতে প্রবেশ করেছে। মানুষ নানা মত ও বিশ্বাসে জাতি, গোষ্ঠী ও ধর্ম দ্বারা বিভাজিত হয়েছে সত্য, কিন্তু মানুষের মৌলিক আকাক্সক্ষা কিন্তু এক- তা হলো আনন্দ। তাই সকল ধর্ম, বর্ণের পার্থক্য থাকলেও সবাই নিজ নিজ আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনন্দ ভোগ করে থাকে বিশেষ দিনকে উপলক্ষ করে। যা এক সময় সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়। এই আনন্দ অনুষ্ঠান কিন্তু কালের স্রোতে পরিবর্তন, বিবর্তনে বৈচিত্রময় করে তুলেছে। পৃথিবীর সব জাতির মধ্যেই এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে এর কোনটি হারিয়েও যায় আবার নতুন সৃষ্টিও হয়। তাই বলা যায় উৎসবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট পরিবর্তনশীল। এই উৎসবের উৎপত্তি হয়েছে এক ঘেঁয়েমী থেকে পরিত্রাণের জন্য। উৎসব যেটাই হোক ইহা পারিবারিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বেশ প্রভাব ফেলে- এতে কোন সন্দেহ নেই।উৎসবের প্রকারভেদ: মানুষ নানাভাবে আনন্দ উৎসব পালন করে থাকে। একে মূলত: কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ১. পারিবারিক, ২. সামাজিক, ৩, ধর্মীয়, ৪. রাজনৈতিক ও সর্বজনীন উৎসব। পৃথিবীর সবদেশেই কম বেশি এসব উৎসব পালিত হয়ে থাকে। পারিবারিক উৎসব: স্থান, পাত্র কালভেদে উৎসবের ধরণ আলাদা হয়। এর মধ্যে ধর্মীয় প্রভাব বেশ লক্ষণীয়। এক এক ধর্মের বা জাতির মধ্যে এক এক রকম হয়। যেমন: জন্ম, বিয়ে, নবান্ন, খাৎনা, নবজাতকের মাথা মুড়ানো ও মুখে অন্নদান ইত্যাদি শুধু প্রথাই নয়, ইহা পারিবারিক অবস্থাভেদে সামজিক রূপও লাভ করে। কারণ একটি পরিবার সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। সামাজিক উৎসব: সামাজিক উৎসব কখনো ধর্মীয় প্রভাব ভেদ করে সর্বজনীন হয়ে ওঠে। যদিও আমরা দেখি ধর্মকে কেন্দ্র করেই উৎসবের জন্ম হলেও তা নিরেট ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে থাকেনি। স্বত:ষ্ফূর্তভাবে উৎসবে পরিণত হয়ে যায়। যেমন: বাঙালিদের পূজা পার্বণে গান-বাজনা হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বাঁধা না থাকলে মুসলমানদের দুই ঈদে গান-বাজনা, যাত্রাপালা ও মেলা বসা, নাচ-গান ইসলাম সমর্থন করে না। কিন্তু এসবের প্রচলন স্বত:ষ্ফূর্তভাবেই দেখা যায়। সামজিক উৎসব কখনোই ধর্মীয় বেড়াজালে থাকেনা। বাঙালিদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব হলো বাংলা নববর্ষ। ধর্মীয় উৎসব: পৃথিবীতে যত মানুষ আছে, সব মানুষই কোনো না কোনো ধর্মে বিশ্বাসী। তাই ধর্মহীন জাতির অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া মুসকিল। ধর্ম পালন ব্যক্তিগত ব্যাপার হলেও সব মানুষই কোনো না কোন ধর্মে বিশ্বাসী পরিবারেই বেড়ে ওঠে। তাই ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীগণ মুসলিম, হিন্দু ধর্মে হিন্দু, বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসীরা বৌদ্ধ, খৃষ্টান ধর্মের অনুসারীরা খৃষ্টান। ধর্মীয়ভাবে একই ধর্মে বিশ্বাসী হলেও ভৌগলিক অবস্থান ভেদে সামাজিক প্রথা অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন রাষ্ট্র বা জাতির মধ্যে তাদের আচার অনুষ্ঠান ও ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। যেমন- বাংলাদেশের মুসলমানদের সাথে ইন্দোনেশিয়ার মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসবে মিল নেই। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে অন্য প্রদেশের হিন্দুদের সঙ্গে মিল দেখা যায়না। তবু একথা অনুস্বীকার্য যে, ধর্মকে কেন্দ্র করে প্রত্যেক জাতিই বিভিন্ন আঙ্গিকে ধর্মীয় অনুশাসনের ছাপ বজায় রেখে উৎসব পালন করে থাকে। তদনুরূপ মুসলমানদের পবিত্র ঈদ উল ফিতর, ঈদ উল আযহা ও মহররম। হিন্দুদের দূর্গা পূজা, লক্ষী পূজা, কালী পুজা ও স্বরস্বতী পূজা। বৌদ্ধদের বুদ্ধ পূর্ণিমা বা বৈশাখী পূর্ণিমা। যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন খৃষ্টানদের বড় দিনের উৎসব। এসব অনুষ্ঠান স্ব-স্ব ধর্মের রীতি অনুযায়ী ভাবগাম্ভীর্জের সাথেই পালিত হয়ে থাকে। কখনো ধর্মীয় আবরণ ছেদ করে সর্বজনীনও হয়। যেমন: হিন্দুদের দূর্গা পূজা। রাজনৈতিক উৎসব: বিশ্বে এখন রাজতন্ত্র বিলুপ্তির পথে। এক সময় রাজার ছেলে রাজা হবেন- এটাই ছিল প্রথা। রাজা-বাদশাহর ইচ্ছানুসারেই প্রজারা চলতে বাধ্য ছিল। কালক্রমে মানুষ জেগে ওঠে। যুগে যুগে অজস্র জীবন উৎসর্গ করে তারা রাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব কায়েম করেছে। জনগণের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত সরকারই এখন দেশ পরিচালনায় সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি। যদিও এখনো কোনো কোনো দেশে রাজতন্ত্র বলবৎ আছে। তবে আগের মত রাজা আর জনগণের মাথা খেয়ালখুশিতে অসি দ্বারা বিচ্ছিন্ন্ করতে পারেনা। তাই গণতান্ত্রিক দেশে এখন রাজনৈতিক দলগুলি তাদের প্রতিষ্ঠিত দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী, নেতৃত্ব নির্বাচনে কাউন্সিল ডাকা এক ধরনের উৎসবে পরিণত হয়েছে। তাছাড়া শীর্ষ নেতার জন্ম বার্ষিকী বিশেষ উৎসবের মাধ্যমে পালন করে থাকে। কর্মীদের মধ্যে এ উৎসব নব চেতনার উম্মেষ ঘটায়। সাধারণ জনগণের মধ্যেও ইহা প্রভাব বিস্তার করে। তাছাড়া গণতান্ত্রিত রাষ্ট্রে সরকার নির্বাচনে ভোটের দিন এক উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়। সর্বজনীন উৎসব: যখন মানুষ ধর্ম-বর্ণ ভেদে, রাজা-প্রজা নির্বিশেষে কোনো সামাজিক উৎসব স্বত:ষ্ফূর্তভাবে পালন করে তখন ওই উৎসবকে সর্বজনীন বলে। এই সর্বজনীন উৎসব পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে তেমন দেখা না গেলেও এর উদাহরণ বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এর ব্যাপকতা বেশি। যেমন সনাতন ধর্মের দূর্গা পূজা ও বাংলা বর্ষবরণ উৎসব। এসব উৎসব বাঙালিরা ধর্ম-বর্ণভেদে উৎফুল্ল চিত্তে পালন করে থাকে। বাঙালির উৎসব: ভারত বর্ষে নানা ধর্ম-বর্ণ ও ভাষার মানুষের বাস। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য জনগণ বাংলায় কথা বলে। এই বাংলা ভাষার উৎপত্তিতে হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে। যারা বাংলায় কথা বলেন তাদেরকে জাতিতে বাঙালি বলা হয়। তাদের আবাসভুমি হলো বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। আসলে বাংলা ভাষায় কথা বলায় দেশের নামও হয়েছে ‘বাংলা’। এই বাঙালির মধ্যে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খৃষ্টানসহ অনেকেই আছেন। বাঙালির চারিত্রিক বৈশিষ্ট পৃথিবীর অন্য জাতির চেয়ে আলাদা। এদের মধ্যে অসাম্প্রদায়িকতা ও আতিথিয়তা বাঙালিকে মহীয়ান করেছে। বাঙালির মধ্যে বাংলাদেশে মুসলমান আবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ। বাঙালি মুসলমানরা অতি আড়ম্বরে বছরে দ’ুটি ঈদ যথা- পবিত্র ঈদ উল ফিতর ও ঈদ উল আযহা পালন করে। সেই সাথে মহররমও উদযাপন করে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দূর্গা পূজা, লক্ষী পূজা, কালী পূজা ও স্বরস্বতী পূজা উৎসবের সহিত পালন করে। ইহা ছাড়াও আরো পূজা থাকলেও সব থেকে বড় পূজোৎসব হিসেবে দূর্গা পূজাকে তারা অধিক ধুমধামে উদযাপন করে থাকে। ইহা ব্যাতীত বিয়ে, মুসলমানদের মধ্যে খাতনা, হিন্দুদের মধ্যে নবজাতকের মুখে অন্ন তুলে দেয়া ছোট আকারের হলেও বেশ উৎসবের মাধ্যমেই পালনের রেওয়াজ আছে। এর বাইরে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ব্যবসায়ীদের শুভ হালখাতা, পূর্বে জমিদারগণ বাৎসরিক খাজনা আদায়ের জন্য নির্ধারিত পহেলা বৈশাখে পূন্নাহ্র আয়োজন করতেন। প্রজারা এই পূন্নাহ্র অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হতেন। আর তারা প্রজাদেরকে আপ্যায়িত করতেন। এটিও একটি উৎসব। যা বাঙালিরা পালন করতো। এখন জমিদারিও নেই, পূন্নাহ্ও নেই। তবে হালখাতার প্রচলন এখনো আছে। কিন্তু আগের সেই জৌঁলুস আর দেখা যায়না। বাঙালিদের মন থাকলেও অর্থনৈতিক অসচ্ছলতার কারণে গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠী মহাসমারোহে উৎসব পালন করতে পারেনা। যতটুকুই পালন করে থাকেন এর মধ্যে আতিথিয়তার ঘাটতি থাকেনা। তারা উন্নত খাবারের মধ্যে ঘরের তৈরি পোলাও, কোরমা, পায়েশ ও বিভিন্ন ধরনের পিঠা দ্বারা অতিথিকে আপ্যায়িত করেন। এখানে উল্লেখ্য, উৎসব পালন সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। বৃটিশ আমলে মুসলমানরা বিশেষ করে ঈদ উল আযহা উদযাপনে বাঁধা প্রাপ্ত হতেন। কারণ হিসেবে প্রকাশ্যে গরু কোরবানি করতে পারতেন না। বৃটিশ সরকার মুসলমানদের এ উৎসবে কোন উৎসাহই প্রদান করেনি। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর বর্তমান বাংলাদেশের মুসলমানদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়। মুসলমানরা সামর্থানুযায়ী ধুমধামে ঈদ উৎসব পালন করে আসছে এমনকি দুই ঈদেও দেখা যায় কোথাও কোথাও মেলা বসে। নানা রকম খেলাধুলার প্রতিযোগিতা হয়। ঈদ উপলক্ষে নাটক সিনেমা মুক্তি পায়। যদিও ইসলাম ধর্মে এসবের অনুমোদন নেই। এটা হলো আনন্দের উচ্ছ্বাস। মহররমে ঢাকায় শিয়া সমপ্রদায়ের মুসলিমরা তাজিয়া মিছিল বের করে। ঢাকার নওয়াবরা এর পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন। তাদের আমলেই ঢাকায় হোসনি দালান প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁরা নবী করীম (সাঃ) এর দৌহিত্র ইমাম হোসাইনের শাহাদত বরণের নির্মম কষ্টকে নিজের হৃদয়ে গ্রথিত করে ভালবাসা ও ত্যাগে হায় হোসেন! হায় হোসেন!! বলে ইমামের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে উৎসব পালন করে। মহররমের অনুষ্ঠান ১০ দিন ব্যাপী হলেও আশুরা বা দশম দিনের অনুষ্ঠাটিই উল্লেখযোগ্য। আর হিন্দুদের দূর্গা পূঁজা এখন সর্বজনীন। এখানে শুধু হিন্দুই না অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও এই উৎসবে শামিল হয়। আর এটা হতে প্রায় তিনশ বছর লেগেছে। বাঙালির উৎসবে বাঙালিরা যেন একই নদীর জলে মিশে যায়। দূর্গা পূজা উৎসবে তৎকালীণ হিন্দু রাজা বা জমিদারগণ পৃষ্ঠপোষকতা দান করেছেন। বাঙালি বৌদ্ধ ও খৃষ্টানরাও তাদের ধর্মীয় রীতিনীতির মধ্যেও যথাক্রমে যথারীতি বৈশাখী পূর্ণিমা ও বড়দিনের উৎসব পালন করে। এখানেও সকল ধর্মের লোকেরাও এ উৎসবকে উপভোগ করে থাকে। বাংলা বর্ষবরণ বাঙালিদের সংষ্কৃতির অঙ্গ। পহেলা বৈশাখ দিনটির তাৎপর্য বাঙালি সমাজে বহু বছর আগে থেকেই প্রভাব বিস্তার করে আসছে। এই দিনে যেমন হালখাতা, পূন্নাহ্ হতো তেমনি গ্রামের সাধারণ বাঙালি পরিবার (ধর্ম-বর্ণ) ভেদে দিনটি পবিত্র হিসেবে মনে করে। পূর্বে বাংলা নববর্ষকে সরকারিভাবে পালন করা না হলেও সাংস্কৃতিক বোদ্ধাদের নিকট ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলা নববর্ষকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে নানা মেলা বসার প্রচলন পূর্ব থেকেই ছিল। গ্রামের তরণ সমাজ নববর্ষ উপলক্ষে খেলাধুলা, নাটক, যাত্রাপালা, ঘুড়ি ওড়ানো, ঘৌড়দৌড় প্রতিযোগিতা এ উৎসবকে সর্বজনীন করে তুলেছে। বর্তমান সরকার বাংলা নববর্ষ বরণ আরো সর্বজনীন করার জন্য সরকারি কর্মচারীদের বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বৈশাখী ভাতার প্রচলন করেছে। বাংলা নববর্ষ বরণ উৎসবের এমন স্বত:ষ্ফূর্ততা আর কোনো দেশে দেখা যায়না। ইহা বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি সামাজিক উৎসব। এই দিনটি আরো তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে বিংশ শতাব্দীর নব্বইয়ের দশক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের যৌথভাবে পরিচালিত পহেলা বৈশাখের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ বাংলা বর্ষবরণকে আরো আকর্ষণীয় ও তাৎপর্যপূর্ণ করেছে। ক্রমে এর বিস্তার দেশের অন্যান্য শহরেও দেখা যাচ্ছে। বাঙালিরা যে কোনো উৎসবেই সাধ্যানুসারে পরিবারেই নিজের হাতের রান্না করা রকমারী খাবারের আয়োজন করে থাকে। পারিবারিক ও সামাজিকভাবে একে অন্যের হয়ে যায় মেহমান। এটা বাঙালিদের শাশ্বত কালচার। তথ্য সূত্র: বাংলা পিডিয়া |