
| Headline : |
|
কোটালীপাড়ায় এক শিক্ষককে নারী কেলেঙ্কারীর অপবাদে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কারের চেষ্টা
বার্তা প্রেরক:- আবুল কালাম মৃধা, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ । শিক্ষাতথ্য ডটকম।।
|
|
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (২৯ জুলাই, ২০২০) :-
গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার বান্ধাবাড়ী ইউনিয়নের এস এন ইনিস্টিটিউশন ( হরিনা হাটী উচ্চবিদ্যালয় ) এর মেধাবী শিক্ষক মিলন হোসেন কে নারী কেলেঙ্কারীর অপবাদে বিদ্যালয় থেকে বহিস্কারের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন ওই মেধাবী শিক্ষক । গত.২৪জুন বিদ্যালয় বন্ধ থাকা কালীন সময়ে মিলন হোসেন গোপালগঞ্জ থেকে রাত ৮টায় বাসে নিজের ব্যক্তিগত কাজে হরিনা হাটি গ্রামের আলমগীর সেরনিয়াবাতের বাড়ীতে যাচ্ছিলেন । জানা যায়,একই বাসে হরিনাহাটি গ্রামের সুরেষ চন্দ্র মধুর কলেজ পড়–য়া মেয়ে গোপালগঞ্জ থেকে তার নিজ বাড়ীতে আসছিলেন । এসময় শিক্ষক মিলন তার প্রাক্তন ছাত্রীর পাশাপাশি সিটে বসে তারা কোটালীপাড়া আসছিলেন । বাসটি কোটালিপাড়ার নাগরা বাস স্ট্যান্ডে পৌছালে বাসের ভিতর ওই এলাকার রাব্বি সহ আরো একটি ছেলে বাসের ভিতর প্রবেশ করে । এরপর বাসটি কিছুদুর গেলে আরো দুইজনকে বাসে তোলে গাড়ীর চালক । এরপর আরো কিছুদুর গেলে বাসের ভিতর প্রবেশ করা ওই চার যুবক শিক্ষক মিলন ও ওই শিক্ষার্থীর জোরপূর্বক ভিডিও করতে গেলে শিক্ষক মিলন বলেন, কি কারনে ভিডিও করা হচ্ছে । তখন তারা চড়াও হয় ।এরপর মেয়েটি ঠাকুরবাড়ী তার বাড়ীর বাস স্ট্যান্ডে নামতে চাইলে তাকে নামতে বাধা দেয় ওই চার যুবক । এরপর তাদের জোর করে পয়সারহাট স্ট্যান্ডে নিয়ে যায় । সেখানে তারা লোকজন জড় করে অভিযোগ করেন Ñ মিলন ও ঐ কলেজ শিক্ষার্থী বাসে বসে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিলেন । পরে সেখান থেকে ওই শিক্ষক ও ছাত্রীকে ঠাকুর বাড়ী বাস স্ট্যান্ডে নিয়ে আসে। পরে সেখানে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গিয়ে ওই মেয়ের কাছে ঘটনা জানতে চাইলে মেয়েটি জানায় Ñ ওই যুবকদের হাত থেকে আমাকে মিলন স্যার রক্ষা করে, তাদের আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা । পরে মেয়েটিকে তার বাড়ী পাঠিয়ে দেয় ইউপি সদস্য আঃ রহিম শেখ ও বজলু শেখ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা। এ ব্যাপারে পরে শিক্ষককে মৌখিক ভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এ ব্যাপারে ঐ ছাএীর পিতা সুরেশ চন্দ্র মধূ সাংবাদিকদের জানান Ñ আমার মেয়ের সাথে শিক্ষক মিলনের কোন সম্পর্ক নেই। এলাকার কিছু লোকজন আমার মেয়ের বদনাম উঠিয়েছে । তিনি আরো বলেন Ñ ঐ শিক্ষক নির্দোষ, তাকে অনেক দিন চিনি জানি তিনি একজন ভালো লোক। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন Ñ আমরা এ ঘটনায় শিক্ষক মিলন হোসেন কে কারন দর্শানোর নোটিশ করেছি , এবং পাচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এব্যাপারে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আতিকুজ্জামান বাদল বলেন Ñ ঐ শিক্ষকের নামে আমরা কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি,কিন্তু সাময়ীক ভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। । |