মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
শুক্রবার ● ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ● ৮ কার্তিক ১৪৩৩
শিক্ষকরাই শিক্ষকের প্রতিপক্ষ না হয়ে দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন
বার্তা প্রেরক:- মো. আবুল হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, বাশিস (কেন্দ্রীয় কমিটি)। শিক্ষাতথ্য ডটকম।।
Published : Saturday, 21 March, 2020 at 10:01 PM
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (২১ মার্চ) :-
বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ যখনই দাবি আদায়ে এগিয়ে যেতে চায় তখনই শুরু হয়ে যায় চর্তুমুখী ষড়যন্ত্র। আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করার সাথে সাথে শুরু হয়ে যায়  বিরুপ মন্তব্য করা। সাধারণ  শিক্ষকদের আটকিয়ে দেওয়া হয় সংগঠনের দোহাই দিয়ে। আপনারা উক্ত অনুষ্ঠানে যাবেন না তাতে আমাদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মূল্য থাকে না। ওরা আন্দোলনের ডাক দিয়েছে কিছুই করতে পারবে না আমরাই আগামীতে সবকিছু করে ফেলব। সাধারণ শিক্ষকরা সত্যিই আজ মহাবিপদে আছে। কোন দিকে যাবে কি করবে বুঝে উঠতে পারতেছে না। সাধারণ শিক্ষকরা বর্তমান সময়ে চরম হতাশায় নিমজ্জিত।

শিক্ষক সংগঠন গুলোর অনৈক্যের কারণে দাবি আদায় করা সম্ভব হচ্ছে না। কিছু বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আজব কর্মকান্ড চালায়। বুঝে অথবা না বুঝে বিভিন্ন সংগঠনের কিছু নামধারী শিক্ষক  দাবি আদায়ের পক্ষে কাজ না করে  বিভিন্ন ধরনের চুলকানি মূলক পোস্ট অথবা কমেন্ট  করে। তাতে মনে হয় ওরা শিক্ষক তো নাকি নামধারী অন্য কেউ? আমাদের দাবিকে দামাচাপা দেয়ার এটি একটি বিশেষ পরিকল্পনা। তানাহলে এমনভাবে কমেন্ট করতে পারে নাকি। যেখানে এই মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন সকলে দলমত নির্বিশেষে দাবি আদায়ে একে অপরকে সহযোগিতা করা। এমনকি প্রতি জেলা, থানা, ইউনিয়ন, গ্রাম, প্রতিটি ওয়াডে জাতীয়করণ আদায়ের পক্ষে কাজ করে শিক্ষক সমাজকে জাগ্রত করা। তা না করে একে অপরের পিছনে কাঁঠালের আঠার মত লেগে থাকে। সামনে এগুতে থাকলে পিছন থেকে টেনে ধরে। আজ আমরা পিছিয়ে পড়েছি দাবি আদায়ে শুধু আমাদের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে। আমরা শিক্ষক এটা ভুলে গেলে চলবে কীভাবে? আমাদের আচরণ যদি এমন হয়, কেউ দাবি আদায়ে এগিয়ে গেলে তাকে এগুতে দেওয়া যাবে না, তাহলে আমরা দাবি আদায় করব কীভাবে? এক্ষেত্রে আমার মনে হয় প্রতিহিংসা কাজ করে। আমরা যেহেতু পারব না আর অন্য কাউকে এগুতে দেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে  দাবি আদায় মূখ্য বিষয় নয়। মূখ্য বিষয় হলো নেতৃত্ব ধরে রাখা। সাধারণ শিক্ষকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা এর বেশি কিছু নয়। আজ সাধারণ শিক্ষক বৃন্দ জেগে উঠুন ঐসব সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে। আর কতকাল চুপ করে বসে থাকবেন। এখনই সঠিক সময় নিজে জেগে উঠুন অন্যকে দাবি আদায়ে উৎসাহিত করুন। 

আপনারা যদি সহযোগিতা করেন তাহলে জাতীয়করণ আদায় করা সময়ের ব্যাপার। যারা জাতীয়করণ আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে চায় তাদেরকে বয়কট করুন। যারা দ্বিমত পোষণ করে তারা আসলে জাতীয়করণ বিরোধী শক্তি। মুখে মুখে বলে জাতীয়করণ চাই আসল উদ্দেশ্য জাতীয়করণ আন্দোলনকে ভণ্ডুল করা। এই গ্রুপ কাজ করে   যাতে জাতীয়করণ আদায় কখনো না হয়। জাতীয়করণ হয়ে গেলে ওদের নেতৃত্ব চলে যাবে। এই গ্রুপ গোপনে গোপনে কাজ করে শিক্ষকদের বিচ্ছিন্ন করে রাখে  জাতীয়করণ আদায়ের আন্দোলন থেকে।  এদের থেকে সকলকে সাবধান থাকতে হবে। সকল বাধা বিঘ্নকে অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হবে সফলতা পাবার জন্য। দাবি আদায়ে কারোর কথা শোনা যাবে না। নিজের বিবেক বুদ্ধি দিয়ে জাতীয়করণ আদায়ের লক্ষ্যে কাজ করে এগিয়ে যেতে হবে নির্দিষ্ট গন্তব্যে। 

জাতীয়করণ আদায়ের জন্য বাশিস নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় কিছু সংগঠন নিজে কাজ করা তো দূরের কথা  অন্যকেও কাজ করতে দিচ্ছে  না। পিছন থেকে ল্যাং মারা হচ্ছে।  একটি কথা মনে পড়ে গেল - একটি বানর গাছে উঠতে লাগল।  কিন্তু অন্য একটি বানর তা লক্ষ্য করল,  সেই বানরটি ছিল খোড়া। সে ভাবল আমিতো পায়ে আঘাত পেয়েছি গাছে উঠতে পারব না।কিন্তু  আমিও তাকে  গাছে উঠতে দিব না। এই বলে গাছে উঠতে থাকা বানরটির লেজ টেনে ধরল ঐ খোড়া বানরটি।এক পর্যায়ে  ফলাফল হলো কেউ কাউকে উপরে উঠতে দিল না। আমাদের বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক সংগঠন গুলোর আচরণ প্রায় একই। নিজে কাজ করবে না  অন্যকেও কাজ করতে দিবে না। দাবি আদায় হবে কীভাবে?  আমাদের স্বপ্ন পূরণে অপরিহার্য হলো নিজে কাজ করুন এবং অন্যকে কাজ করতে উৎসাহিত করুন। তাহলেই আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণে সক্ষম হব। 


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
ঐতিহ্য ও ঐক্যের বন্ধনে মৌলভীবাজার জেলা সমিতি
কক্সবাজারের ইনানীতে নির্মিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের আইকনিক টাওয়ার সম্বলিত ফাইভ স্টার হোটেল এন্ড রিসোর্ট
মায়ের আদেশে প্রতিদিন পাঁচজন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেন অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান তরফদার
জালালাবাদ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত : চিকিৎসা সেবা পেলেন অর্ধশতাধিক রোগী
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)