মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
বিদ্রোহী সূচনার শেষ বাসনা
-মো. আবু সাঈদ সিদ্দিকী
Published : Wednesday, 12 December, 2018 at 4:03 PM, Update: 17.12.2018 8:22:05 PM
মো. আবু সাঈদ সিদ্দিকী

মো. আবু সাঈদ সিদ্দিকী










মায়ের বকুনিতে একদিন রাত সাড়ে দশটায় ঘর থেকে বেড়িয়ে পড়লাম। কোথায় যাচ্ছি তা আদৌ জানিনা। বাবা সরকারি চাকুরী জীবি। সর্বদা ব্যস্ত। তাঁর সাথে আমার দেখা কমই হয়। সকালে বাবা বিছানায় থাকতেই আমাকে মর্নিং সিফ্ট-স্কুলে যেতে হয়। যখন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরি তখনও বাবা অফিসে। দুপুর থেকে কোচিং। রাত আটটা পর্যন্ত প্রাইভেট পড়া। বড্ড ক্লান্তি আসে। তাই তাড়াতাড়ি ঘুম লাগে।
বাবা অফিস থেকে ফিরে একটু বিশ্রাম নিয়ে পেপার পড়েন এরপর নানা ধরনের বই পড়েন। আবার কি কি লেখেন তা জানিনা। জানার ইচ্ছাও হয়না, সময়ও থাকে না। তাই বাবার সাথে কথা হয় না বললেই চলে।
মা গৃহিণী। তাঁর কাজ রান্না-বান্না করা আর আমার পেছনে লেগে থাকা। সারাদিন পড়, পড় এই তাঁর মুখের ভাষা। কোথাও বেড়াতে, খেলতে যাওয়া সহপাঠিদের সঙ্গে ঘুরা এসব তাঁর বিষফোঁড়া। যা আমার খুব ভাল লাগে। মায়ের ধারণা সারাদিন, সারাক্ষণ বই পড়লেই ভাল ছাত্র হবো। গোল্ডেন এ+ পাবো। এখানে ইচ্ছা বা অনিচ্ছা, ক্লান্তি অথবা আনন্দের বালাই নেই। আমি গোল্ডেন এ+ পেলেই খুব বড় চাকুরী পাবো এটা শুধু আমার মায়ের কথাই না আমাদের সমাজের যেন ব্যধি হয়েছে। 
আমি বাবা-মায়ের একমাত্র কন্যা সন্তান। সবেমাত্র ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। আমার বইয়ের ব্যাগ খুব ভারী। এই ভারী ব্যাগ পিঠে বেঁধে নিয়ে সামনের দিকে ঝুঁকে ঝুঁকে আমাকে নিত্যদিন স্কুলে, কোচিং ও বাড়ি-বাড়ি স্যারদের বাসায় প্রাইভেট পড়তে যেতে হয়। এভাবে এক্সারসাইজ করায় সামনের দিকে ঝুঁকে বাকা হয়ে হাঁটা কবে থেকে অভ্যাসে পরিণত হয়েছে জানিনা। একদিন আমাদের বাড়িতে এক আত্মীয়া এসে মাকে বললেন, ‘তোমার মেয়ে বাঁকা হয়ে সামনের দিকে ঝুঁকে হাঁটে কেন’? মা উত্তরে বলেন, ‘এখনকার মেয়েদের যত স্টাইল! ওর মতো প্রায় মেয়েই এখন এভাবেই হাঁটে’।
মা আমাকে এভাবেই তীর্যক বা কটাক্ষ করেই কথা বলে থাকেন- একটু পান থেকে চুন পড়লেই। আত্মীয়ার কথায় প্রথম আমার বাাঁকা হয়ে কেন হাঁটছি- এই বিষয়ে চিন্তা করলাম। আসলেই কী এটা বাজে অভ্যাস বা মা যে, বললেন এখনকার মেয়েদের স্টাইল? মনে মনে ভাবলাম- দেখি তো অন্য সহপাঠিরা  কিভাবে হাঁটে। বিষয়টি নিয়ে একাকী গবেষণা করলাম। এটা মনের বিষয়। কাউকে বলিনা। আমার মতো যারা হ্যাংলা-পাতলা সবার একই অবস্থা! কেন এই অবস্থা? -এর রহস্য বের করতে পারলাম না। সারাদিন তো দৌঁড়ের মধ্যেই থাকি।
আমার মা একজন ধর্মভীরু পর্দানশীল মহিলা। ভাল রাঁধতেও পারেন। নামাজ বন্দেগী করেন আর আমার পেছনে লেগেই থাকেন। মায়ের কড়াকড়ি আমার মানসপটে দিন দিন বিদ্রোহী করে তুলছে। তাই মা যখন আমাকে ডাক দেন অথবা ভাল কথাও বলেন- তাও বিঁষের মতো লাগে। বাবা তো কিছুটা আত্মভোলা- তিনি এতো কিছু জানেন না বা খোঁজও নেন না।
স্কুল বন্ধের দিন- এটা ছিল সরকারি ছুটি। বাবার কাছে গিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছি। বাবা চোখ তুলে বললেন-
-কীরে মা, শরীর খারাপ?-না। আমি ভার গলায় বললাম।
-তোমার কিছু হয়েছে? বাবা প্রশ্ন করলেন।-না কিছু হয়নি। আমি আবার বললাম।কাছে বসিয়ে বাবা আদর করে বললেন- নিশ্চই তোমার মন খারাপ।-আমি আর জেলখানায় থাকতে চাই না। আমি বাবাকে বলি। 
-সে কী কথা! নিজের বাসা কী জেলখানা হয়? বাবা আমাকে প্রশ্ন করলেন।-আচ্ছা বাবা, মানুষের কী আনন্দ-উল্লাসের দরকার নেই? সারাদিন পড়া আর পড়া। স্কুলে যাওয়া, প্রাইভেট পড়া, আবার কোচিং করা। লেখাপড়া করলে কী মানুষকে মেশিন হতে হয়? মেশিনকেও তো একটু দম দিতে হয়। কিন্তু আমরা যারা ছাত্র। এদের কী এ সুযোগও নেই? এরা বাপ-মায়ের অধীনে বলে কী কোন স্বাধীনতা নেই? একসাথে পাল্টা বাবাকে অনেক প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলাম।
-নিশ্চই আছে। তোমার খেলাধুলা, গান-বাজনা করা, অবসর সময়ে টিভি দেখা। এসবই তোমার পড়ার মধ্যেই পড়ে। তোমাকে পাঠ্য বইয়ের পাশাপাশি এসব করতে হবে। তাছাড়া তোমার সুবিধামত সময়ে ভাল গল্পের বই পড়তে পারো। শুধু শুধু পাঠ্যবই পড়ে পরিপূর্ণ মানুষ হওয়া যায় না। বাবা আমাকে বললেন। বাবার মতের সাথে আমার চিন্তা মিলে গেলেও মা আমার এসবের বড় বাঁধা। আমি বাবাকে মায়ের শাসনের কথা বললাম। বাবা মাকে ডেকে বললেন, ‘কী গো তোমার মেয়েটার ওপর তুমি খুব অত্যাচার করছো বুঝি’?-বাপ-বেটি একসাথে আমার বিরুদ্ধে লেগেছো- তাই না? মেয়ে যা কয় সেইটাই তুমি বিশ্বাস করো। সে যে লেখাপড়া করতে চায় না এটা কী খোঁজ রাখো? সারাদিন অফিস আর বাসায় এসে পেপার পড়া, টিভির খবর দেখা, আজে-বাজে কী ছাই লেখালেখি! এসব পন্ডিতি করে মেয়ে পরীক্ষায় গোল্ডেন এ+ পাবে না। সব দায় বুঝি আমার? মা চেঁচিয়ে বললেন।
-তোমরা মা-বেটির মধ্যে কী ঘটনা ঘটেছে খুলে বলতো দেখি। বাবা ধীর-স্থীর ভাবে মার কাছে জানতে চাইলেন। কিন্তু মা গরম তেলে পানি দিলে যেমন ফুঁটে উঠে, তেমনি আরো কর্কষ গলায় বললেন,-মেয়ে কী বললো সেইটা শুইনাই তো আমারে কৈফিয়ত তলব করলা। মেয়ের কাছে কী জানতে চেয়েছো ‘ও’ লেখাপড়া করে কি না?বাবা কথা না বাড়িয়ে বিকালে লোকায়ন জাদুঘরে বেড়াতে যাবেন এই কথা বলে আমাকে বললেন- যাও মা এখন গোসল করে বিশ্রাম নাও। বাবা ওঠে বাইরে গেলেন। মা আরো কিছুক্ষণ বক্্বক্্ করে শান্ত হলেন। 
বাবা বিকেলে আমাকে জাদুঘরের সবকিছু ঘুরে ঘুরে দেখালেন। মুক্তিযুদ্ধে কার কী অবদান আছে ছবি দেখে দেখে আমাকে বললেন। আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা বললেন। ফেরার পথে রিকশায় গল্পে গল্পে আমাকে বললেন, মায়ের কথা সন্তানকে শুনতে হয়। সব মা’ই তার সন্তানকে খুব বেশি ভালবাসেন। তাই মাকে খুশি রাখতে হয়। আর যখন তোমার পড়ার মধ্যে আনন্দ থাকে তখনই পড়বা। অযথা বই নিয়া বসে থাকবা না। তবে যে কোন কাজই মন দিয়ে করলে সে কাজে সফলতা আসে। আমি জানি একদিন তুমি ভাল মানুষ হবে। লেখাপড়ার উদ্দেশ্য আদর্শ মানুষ হওয়া। বড় চাকুরী করতে হবে -তেমনটি নয়। শুধু সার্টিফিকেটের জন্য পড়াশুনা নয়, এটা মনে রাখবে। কখনো মিথ্যা বলবা না। এসব মেনে চললে দেখবা একদিন অনেক বড় হবে। বাবার কথা মতো চলার জন্য মনে মনে পণ করলাম। কয়েকদিন ভালো ভালোই চললো। মা কিছু বলেননি। একদিন অফিস থেকে বাবার ফিরতে দেরি হয়েছে। আমি আমার পড়া শেষ করে সাড়ে নয়টায় রাতের খাবার খেয়ে ১০ টার মধ্যে ঘুমোতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। মা আমার কামড়ায় ঢুকে কঠিন ভাষায় বললেন, কীরে এখনোই ঘুমাতে যাচ্ছিস? পড়া হইছে তোর? কয়েকদিন যাবৎ তোর ইচ্ছামত চলা দেখছি। কিছু কই নাই বলে স্বর্গে উঠেছিস? এভাবেই যাচ্ছেতাই বলতে বলতে মা আমার পিঠের ওপর তাঁর গায়ের শক্তি ও মনের ঝাল হাত দিয়ে মিটালেন। আমাকে বলার কোন সুযোগই দিলেন না। এক পর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে তাঁর রুমে চলে গেলেন। মনের কষ্টে কাঁদতেও পারছিলাম না । আমি অবাক হলাম। কিন্তু মনের পাঁজর দুঃখে ভেঙ্গে গেল। মা ছাড়া বাসায় কেউ নেই। এভাবেই কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থেকে হঠাৎ মনে হলো আমি আর এ বাসায় থাকবো না। এর চেয়ে মরাই ভালো। তৎক্ষণাৎ বইপত্র ব্যাগে গুছিয়ে পরনে যে কাপড় ছিল তাই নিয়ে অন্ধকার রাতে বের হলাম। কোথায় যাচ্ছি আমি কিছুই জানিনা। ভয়ও পাচ্ছিলাম না।রাত তখন প্রায় ১১টা। রাস্তায় লোকজন তেমন নেই। দোকান-পাট অনেকেই বন্ধ করেছেন। কিছুদূর যেতেই এক মধ্যবয়সী লোক তার দোকান থেকে ডাক দিলেন। তিনি দোকান বন্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তিনি হয়তো লক্ষ্য করে ভাবছেন, এই মেয়েটি একা বইয়ের ব্যাগ নিয়ে কোথায় যাচ্ছে? এখন তো প্রাইভেট পড়ার সময় না। 
তার দোকান পার হতেই পিছন থেকে কানে এলো। এ মেয়ে তুমি কোথায় যাচ্ছো এক এতো রাতে? আমি ফিরে তাকাতেই আমাকে ডাকলেন কাছে আসো। 
-এভাবেই দোকানী বলছেন। আমি আস্তে আস্তে তার কাছে আসতেই তিনি প্রশ্ন করলেন।-তুমি এত রাতে একা কোথায় যাচ্ছো?-আমি জানিনা। আমি বললাম।
-তোমার নাম কী, তুমি কী পড়, তোমার বাসা কোথায়, মা-বাবা কী করেন, বাবার নাম কী ইত্যাদি। এক গাঁদা উত্তর জানতে চেয়ে আমাকে প্রশ্ন করলেন। তিনি আমাকে কাছে ডেকে বসালেন। যেমনটি আমার বাবা করে থাকেন। তবু তাকে অভিমানের সুরে বললাম, আমাকে আটঁকায়ে রাখছেন কেন? -যেতে দিন। আমি তখনো উত্তেজিত। কিন্তু তাঁর পিতৃসূলভ আচরণে এক পর্যায়ে স্বাভাবিক হয়ে আমি তার সব প্রশ্নের উত্তর দিলাম। তিনি আমাকে চুইংগাম খেতে দিলেন। কিন্তু খাইলাম না।
-তোমার বাবার মোবাইল নম্বর জানা আছে?
-লিখে নিন। আমি তাকে বলেদিলাম। তিনি তার নিজের মোবাইলে তুলে নিয়ে আমাকে বললেন, ‘তোমার বাবাকে সঙ্গে কথা বলো’। আমি কথা বলার অস্বীকার করায় দোকানী আঙ্কেল বাবাকে ফোন দিলেন। বাবা ফোন রিসিভ করলেই তিনি বললেন, আপনি সুমন চৌধুরী? আপনার মেয়ে সূচনা বাসায় আছে কি না? তিনি মোবাইলের শব্দ বাড়ায়ে কথা বলছিলেন। ফলে আমি বাবার কথা শুনতে পারছি।বাবা-কাঁন্না জড়িত কন্ঠে জানতে চাইলেন, ভাই আপনি কে, কোথায় থেকে বলছেন? সূচনা আমার একমাত্র মেয়ে। ‘ও’ ওর মায়ের সাথে রাগ করে বাসা থেকে বেরিয়ে গেছে ওকে খুঁজে পাচ্ছিনা।ভদ্রলোক (দোকানী আঙ্কেল) তার নাম ঠিকানা জানিয়ে দ্রুত আসার জন্য অনুরোধ করলেন এবং চিন্তা না করতে বললেন। এদিকে আমি চলে আসার পর আমি কী করছি অথবা তাঁর মাত্রাতিরিক্ত  শাসনে আমি যে কাতর হয়েছি- হয়তো এই অনুশোচনায় মা আমার ঘরে এসে আমাকে না দেখে খোঁজা খুঁজি করে -না পাওয়ায় বাবাকে ফোন দিয়েছেন। ফোন পেয়ে বাবা পাগলের মতো বাসায় ছুঁটে এসেছেন।
বাবা না আসা পর্যন্ত দোকানী আঙ্কেল আমাকে কাছে বসিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়ে ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছেন।-সূচনা, তুমি কী এখন লেখাপড়া বাদ দেবে? তিনি বললেন।-কেন? পড়াশুনা করবো না মানে? আমি উত্তর দিলাম।
-তাহলে তুমি এতো রাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মায়ের সাথে রাগ করে কেন বাসা থেকে এসেছো? তুমি পড়াশুনা করে বড় হয়ে কী হবা? তিনি প্রশ্ন করলেন।আমি ঝটপট বললাম বড় হয়ে আমি ম্যাজিস্ট্রেট হবো।-তিনি প্রশ্ন করলেন কেন?
উত্তরে বললাম, কারণ আমি যদি ম্যাজিস্ট্রেট হই, তবে যারা শিশু অধিকার অমান্য করেন, তাদের বিচার করবো। যারা অন্যায় করে তাদের বিচার করবো।
যেসব মায়েরা শিশু সন্তানদের প্রতি পড়ার নামে অত্যাচার করেন, তাদের বিচার করবো। যে সব শিক্ষক ক্লাশে মনযোগ না দিয়ে শুধু প্রাইভেট পড়াতে সময় ব্যয় করেন, তাদের বিচার করবো। আর যে সব বড় বড় পন্ডিত ব্যক্তি সরকারের মোটা বেতন নিয়ে বস্তা বস্তা বই লিখে ছাত্রদের কে কুলির মতো তা বহন করিয়ে কুঁজো বানান, তাদের বিচার করবো। এটাই আমার শেষ ইচ্ছা।ইতোমধ্যেই বাবা চলে এলেন।


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
ঐতিহ্য ও ঐক্যের বন্ধনে মৌলভীবাজার জেলা সমিতি
কক্সবাজারের ইনানীতে নির্মিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের আইকনিক টাওয়ার সম্বলিত ফাইভ স্টার হোটেল এন্ড রিসোর্ট
মায়ের আদেশে প্রতিদিন পাঁচজন রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেন অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান তরফদার
জালালাবাদ এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত : চিকিৎসা সেবা পেলেন অর্ধশতাধিক রোগী
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)