মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
বুধবার ২৯ জুলাই ২০২৬ ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা এবং আবহমান বাংলার পরিশুদ্ধ সংস্কৃতি মনে প্রাণে লালন করলে দেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিস্তার হ্রাস পাবে
শিক্ষক সমাজ ন্যায়-নিষ্ঠতায় পরিপূর্ণ হলে জাতি সমৃদ্ধির পথে পা বাড়াবে
-ড. মশিউর রহমান মৃধা, অধ্যক্ষ, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ নরসিংদী, সদর, নরসিংদী
Published : Thursday, 22 November, 2018 at 7:32 PM
প্রাণহীন একটি ক্ষণকে যিনি প্রাণবন্ত করে তুলতে পারেন তাঁর নাম ড.মশিউর রহমান মৃধা। সাবধানতা, সতর্কতা, বিজ্ঞ দৃষ্টি ও কৌশলী মনোভাব তাঁর ব্যক্তিত্বকে করেছে আরো বেশি নান্দনিক ও আকর্ষণীয়। আশাহীন সত্ত্বা থেকে রৌদ্র ঝলমল দিন দেখাতে পারেন তিনি। বহুমাত্রিক এই মানুষটি সাহিত্য প্রেমিকদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। কবি নির্মলেন্দু গুণ, ড.সফিউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, প্রফেসর গোলাম মোস্তাফা মিয়া, প্রয়াত হুমায়ুন আজাদ প্রমুখ আলোকিত মানুষদের স্নেহসিক্ত হয়েছেন তিনি। শিক্ষকতাকে মহান ব্রত হিসেবে নিয়ে জীবনের শেষ পর্যন্ত শিক্ষকতা ও লিখে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। লেখনির মাধ্যমে সমাজ, জাতি তথা রাষ্ট্রকে আরো সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাঁর লক্ষ্য। আশাহীন স্বপ্নহীন নন, স্বপ্ন দেখেন একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশের।ড.মশিউর রহমান মৃধা কলেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে দু’টি বিষয় প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। একটি হলো শৃঙ্খলা, অপরটি ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক। কলেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রচলিত ধ্যান-ধারণা ভেঙ্গে বৈচিত্র্যময় পাঠদান-কৌশল ও পরিচালন পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন ড. মৃধা। তিনি মনে করেন, শিক্ষক শুধুমাত্র শিক্ষকতার জন্যেই। তাঁর ধ্যান-জ্ঞান জুড়ে থাকবে শিক্ষার্থী আর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। একজন শিক্ষক হলো শিক্ষার্থী যিনি পড়াশুনা করে ক্লাস নিবেন এবং জীবনমুখী শিক্ষা শিক্ষার্থীর হৃদয়ঙ্গম করাবেন। তিনি শিক্ষককে শিল্পীর সঙ্গে তুলনা করে বলেন, শিল্পীর মতো শিক্ষকও একজন তারকা যদি তিনি তাঁর ক্লাসটিকে মাতিয়ে তুলতে পারেন। হ্যাঁ, শিক্ষক তারকা ব্যক্তিত্ব ড.মশিউর রহমান মৃধার সঙ্গে শিক্ষাতথ্য পত্রিকার প্রতিনিধির সাথে শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন বিষয়ে যে আলোচনা হয় তার চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-শিক্ষাতথ্য: আপনার কলেজের শিক্ষার্থীরা বরাবরই ভালো ফলাফল করে থাকে এবং অত্রাঞ্চলের মধ্যে একটি   ভালো শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইতোমধ্যেই সুনাম কুড়িয়েছে। এ কলেজের প্রধান নির্বাহী বা অধ্যক্ষ হিসেবে আপনার কলেজের শিক্ষা-ব্যবস্থা, পাঠদান পদ্ধতি ও শিক্ষার গুণগত মান সম্পর্কে বলবেন কী?ড.মশিউর রহমান মৃধা, অধ্যক্ষ, আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ: লক্ষ্য-উদ্দেশ্য নির্ধারণ, নিবিড় পরিচর্যা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে প্রস্তুত করা, প্রবল ইচ্ছেশক্তি জাগ্রত করা, জীবন সম্পর্কে স্বপ্নবান করে তোলা, শৃঙ্খলাই জীবনের উৎকৃষ্ট মনে করা। ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে অকৃত্রিম ও নির্ভেজাল সম্পর্ক তৈরি করা এবং আনন্দময় পরিবেশে পাঠদান করা ইত্যাদি।শিক্ষাতথ্য: পরিবার ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার আজ বড় অভাব; যার ফলশ্রুতিতে দেশে আজ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের রাজত্ব চলছে। এ থেকে পরিত্রাণের উপায় এবং ছাত্র-শিক্ষকদের নৈতিক অবক্ষয় রোধে কলেজের একজন অধ্যক্ষ তথা অভিভাবক ব্যক্তিত্ব হিসেবে আপনার পরামর্শের কথা বলবেন কি?ড.মশিউর রহমান মৃধা:  প্রথমত পরিবার, প্রতিষ্ঠান, সমাজ সর্বস্তরে মায়াময় অন্তরঙ্গতায় পরমাত্মীয় মনে করা। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা এবং আবহমান বাংলার পরিশুদ্ধ সংস্কৃতি মনে প্রাণে লালন করা। সন্তান মহৎ ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার জন্য শৈশবেই হাতেখড়ি দেয়া।শিক্ষাতথ্য: আপনার কলেজে কী ধরনের সমস্যা রয়েছে যার ফলে শিক্ষা-কার্যক্রম পরিচালনায় প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হতে হয়? ড.মশিউর রহমান মৃধা: আমার প্রতিষ্ঠানটি সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত। এখানে গভর্নিং বডি রয়েছে তবে উল্লিখিত প্রশ্ন অনুযায়ী আমি কখনো সমস্যায় পড়িনি।শিক্ষাতথ্য: একটি কলেজের প্রধান হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা-ব্যবস্থায় কী ধরনের অব্যবস্থাপনা বা দুর্বল দিক আপনার দৃষ্টিগোচরে এসেছে বলে মনে হয়?ড.মশিউর রহমান মৃধা: এই মুহূর্তে সমস্যা, সংকট অনেকটাই কমে গেছে বলে মনে করছি। সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতির শুরুর দিকটায় যথেষ্ট অগোছালো ছিলো  কিন্তু এখন আমরা সৃজনশীলতায় প্রতিনিয়ত ঋদ্ধ হচ্ছি। বর্তমান অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তি প্রক্রিয়াটি আরো গতিশীল ও স্পষ্ট হওয়া জরুরি।শিক্ষাতথ্য: একটি ভালো, সুনামধন্য কলেজ গড়ে তুলতে একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে আপনার অভিজ্ঞতার আলোকে কতিপয় সুপারিশের কথা বলবেন কী?ড.মশিউর রহমান মৃধা: প্রতিষ্ঠান প্রধানের ধ্যান-জ্ঞান-স্বপ্ন-চিন্তা-দর্শন সবকিছুই প্রতিষ্ঠান ঘিরে থাকবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি প্রতিষ্ঠানে সময় দিবেন। উদারতায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ রাখবেন।শিক্ষাতথ্য: শিক্ষাঙ্গন, সমাজ তথা দেশ থেকে অনাচার-অবিচার-অনিয়ম-দুর্নীতি নির্মূলে আপনার কতিপয় সুপারিশের কথা বলবেন কী?ড.মশিউর রহমান মৃধা: প্রতিটি শিক্ষককে বিবেকের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে সজাগ সচেতন থাকতে হবে। বিশ্বাস করি শিক্ষক সমাজ ন্যায়-নিষ্ঠতায় পরিপূর্ণ হলে জাতি সমৃদ্ধির পথে পা বাড়াবে।শিক্ষাতথ্য: আপনার কলেজের আরো বেশী ভালো ফলাফলের জন্য কী ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের চিন্তা-ভাবনা করছেন? অর্থাৎ কলেজের সার্বিক উন্নয়নের জন্য আপনার ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা সম্পর্কে বলুন।ড.মশিউর রহমান মৃধা: আরো ভালো ফলাফল ও ভালো মানুষ, মহৎ মানুষ তৈরির জন্য মেধা-মনন ও শ্রম দেবার প্রতিজ্ঞা করি এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেবার মানসিকতা পোষণ করি।শিক্ষাতথ্য: দেশের শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন এবং গ্রামীণ শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আনয়নের লক্ষ্যে ক্যারিয়ারভিত্তিক তথ্যনির্ভর শিক্ষাবিষয়ক পত্রিকা “মাসিক শিক্ষাতথ্য” বৃহত্তর আকারে দেশব্যাপী বের হচ্ছে। বিশেষ করে প্রতি মাসে দেশের যেকোনো একটি ‘জেলা-উপজেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য এবং শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন’ নিয়ে বিশেষ জেলা সংখ্যা বের হচ্ছে; পরবর্তী সংখ্যাটি নরসিংদী জেলাকে ঘিরে প্রকাশিত হচ্ছে। তাই এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণকে আপনি কোন দৃষ্টিতে দেখেন?ড.মশিউর রহমান মৃধা: আমি সকল ইতিবাচক উদ্যোগকে সমর্থন করি। ‘মাসিক শিক্ষাতথ্য’-কে এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে আনন্দনন্দিত অভিনন্দন। পত্রিকাটি আমি মনোযোগ দিয়ে দেখেছি এবং মুগ্ধ হয়েছি। পত্রিকাটি বস্তুনিষ্ঠতায় সচেষ্ট ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ। আমি পত্রিকাটির সর্বাঙ্গীন সাফল্য কামনা করি।ড. মশিউর রহমান মৃধা’র জীবন ও কর্ম বৃত্তান্তসমাজে কিছু মানুষ জন্মগ্রহণ করেন মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য। নিত্যদিনের সৃষ্টির নেশায়, আত্মনিমগ্নতায় এবং সৃজনশীলতায় কেটে যায় তাদের অষ্টপ্রহর, জীবনের স্বপ্নময় দিবস রজনী। স্বার্থ ও প্রত্যাশাহীন ঐসব নির্মোহ মানুষেরা সমাজের চালিকাশক্তি ও শ্বাশ্বত প্রাণের উদ্দীপক। বহুমাত্রিক কবি শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড.মশিউর রহমান মৃধা তাদেরই একজন। তাঁর জন্ম ০৮ মে, ১৯৬৭ সালে নরসিংদী সদর উপজেলার সাহেপ্রতাপ গ্রামে। বাবা মোখলেছুর রহমান মৃধা নরসিংদী সরকারি কলেজের একজন কর্মকর্তা এবং মা জাহানারা বেগম ছিলেন গৃহিণী। আট ভাই-বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। স্থানীয় সাহেপ্রতাপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে ড.মশিউর রহমান মৃধা শিক্ষা জীবন শুরু করেন। এরপর বাগহাটা নুর আফতাব আদর্শ বিদ্যাপীঠ থেকে মাধ্যমিক ও নরসিংদী সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।তিনি ২০০৯ সালে ‘সমকালীন বাংলা সাহিত্য ও একটি প্রায়োগিক বিশ্লেষণ’ এর উপর অভিসন্দর্ভে অনলাইনে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। ড.মশিউর রহমান মৃধা’র শৈশব কেটেছে নানা রকম দুরন্তপনায়। ছাত্রজীবন থেকেই কঠোর পরিশ্রম করে তিলে তিলে নিজেকে গড়ে তুলেছেন।ড.মশিউর রহমান মৃধা নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর শহীদ স্মৃতি কলেজের বাংলা বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে শিক্ষকতা পেশা শুরু করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বোর্ডে ২০০৯ সালে পঞ্চম, ২০১০ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ নির্বাচিত, ২০১১ সালে ৭ম, ২০১২, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে টানা তিনবার ২য় স্থান, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে সেরা ফলাফল অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ নরসিংদী’র গর্বিত অধ্যক্ষ।ড. মৃধা গদ্য-পদ্য মিলিয়ে একটি নান্দনিক জীবন তৈরি করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে বিনয়ী, অমায়িক ও সংস্কৃতিকে লালন করেন মনে-প্রাণে। দক্ষ সংগঠক, মৌলিক গবেষক ড.মশিউর রহমান মৃধা ছাত্রজীবন থেকে সাহিত্য চর্চায় জড়িত ও নিবেদিত। বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা ও সাহিত্য সাময়িকীতে তাঁর কবিতা ও নিবন্ধ প্রকাশিত হচ্ছে। প্রান্তিক মানুষের প্রাত্যহিক জীবন, সুখ-দুঃখ, আনন্দ-বেদনা, সূক্ষ্ম অনুভূতি, সমাজের নানা অসংগতি ও সমসাময়িক ঘটনাবলী তাঁর লেখায় তুলে ধরার চেষ্টা করেন। সংগঠক হিসেবে সফলতার পরিচয় দিয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। তিনি নরসিংদী জেলা কলেজ শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত সভাপতির দায়িত্ব পালন করে চলেছেন দীর্ঘদিন যাবত। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ-বিপন্ন যৌবন, স্বপ্নের খসড়া, আনন্দনন্দিত শুভ সম্ভাষণ, হৃদয়ের চিলেকোঠায়, বেদনার সাবলীল প্রকাশ, গহীন রাতের উড়োচিঠি, মশিউর রহমান মৃধা’র নির্বাচিত কবিতা এবং আমি অন্য কেউ। এছাড়াও তাঁর প্রবন্ধের বই জীবন ও স্বপ্ন সমান্তরাল এবং এ সময়ের জনপ্রিয় আবৃত্তিকার মাহিদুল ইসলামের কণ্ঠে কবিতা আবৃত্তির অডিও সিডি ‘ফাগুনে আগুনে বাসন্তী জীবন’ ও ‘আমি যদি তুমি হতাম’ ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। পারিবারিক জীবনে ড.মশিউর রহমান মৃধা দুই সন্তান জামি ও সামি’র জনক। তাঁর সহধর্মিণী আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজের বাংলা বিষয়ের সহকারি অধ্যাপক সিরাজুম মুনিরা। 








এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
মানবতার ফেরিওয়ালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক
জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বোয়ালখালী প্রেসক্লাব
জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বোয়ালখালী প্রেসক্লাব
বোয়ালখালীতে পুকুরে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)