
| Headline : |
|
‘আশা’র ফাঁসি চাইলেন তাপস হত্যা মামলার বাদী
৭১ সংবাদ ডট কম
|
|
সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে শহীদ তাপস স্মৃতিসংসদ আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ দাবি জানান। এ সময় তিনি বলেন, দুই তিন গ্রামের আশার প্রদীপ ছিল আমার বন্ধু তাপস। আর খুনি আশারা সে প্রদীপ নিভিয়ে দিল। তাই অচিরেই খুনি আশাসহ সকল আসামির সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করতে হবে। মানববন্ধনে একাত্মতা জানিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- চবি ছাত্রলীগ স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বী সুজন। মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন- সংস্কৃতি বিভাগের নিপেন সরকার, স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি নাসির উদ্দন সুমন, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর জীবন, সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজুল আবেদীন, ক্রীড়া সম্পাদক, মাহফুজুর রহমান, উপ ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক নিয়াজ উদ্দিন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, উপ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সায়ন দাশ গুপ্ত, সহ-সম্পাদক হাসান উদ্দিন। গত ৪ অক্টোবর (বুধবার) চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিনের আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন আবেদন করে মামলার প্রধান আসামি আশারাফুজ্জামান আশা। আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে ফেরার সময় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ছাত্রলীগের ট্রেনের বগিভিত্তিক দুই সংগঠন ‘ভি-এক্স’ ও ‘সিএফসি’। এ সময় শাহজালাল হল থেকে এক পক্ষের ছোড়া গুলিতে আহত হন শাহ আমানত হলের তৃতীয় তলায় থাকা তাপস সরকার। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান সংস্কৃত বিভাগের এই শিক্ষার্থী। হত্যাকাণ্ডের পর সিএফসি গ্রুপের পক্ষ থেকে তাপসকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করা হয়। ঘটনার দুইদিন পর তাপসের বন্ধু, একই বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুল ইসলাম ৩০ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। কিন্তু এরপরেই আসামিরা গা ঢেকে দেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী দল চট্টগ্রামের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ২০১৬ সালের ২ মে আদালতে চবি ছাত্রলীগের ২৯ জন নেতাকর্মীকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেয়। যেখানে সাবেক সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী আশারাফুজ্জামান আশাকে প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই মামলায় পুলিশ এখন পর্যন্ত ১৬ জন আসামিকে গ্রেফতার করে। এর মধ্যে আশা ছাড়া সবাই জামিন নিয়ে পরবর্তীতে বের হয়ে যায়। বর্তমানে মামলার ১৩ জন আসামি পলাতক রয়েছেন। |