
| Headline : |
|
সাংবাদিক হাজী জাহিদ এর বড় ভাই মোঃ জামাল হোসেন এর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া
।। বার্তা প্রেরক:- হাজী জাহিদ, পলাশ, নরসিংদী। শিক্ষাতথ্য ডটকম ।।
|
|
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (১৮ অক্টোবর,
২০২১) :-
সাংবাদিক হাজী জাহিদ এর বড় ভাই প্রকৌশলী মোঃ জামাল হোসেন (৫৫) এর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তিনি গত ১৪ অক্টোবর রাত্র ৯ ঘটিকায় তার হার্টএটাক করার কারণে মৃত্যুবরণ করেন। কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার ২ নং দক্ষিণ ভবানীপুর ইউনিয়নএর দরগারনামা গ্রামের এক ইতিহ্যবাহী মুসলিম সম্ভ্রান্ত শিক্ষিত, রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন জামাল। জানাযায় তার পূর্ব পুরুষরা কোন এক সময় ধর্ম প্রচারের জন্য সৌদি আরব থেকে এসে, এদেশে জমিদার ও ছিল।তার মামার বাড়ি ইতিহ্যবাহী,ভবানী পুর খন্দকার বাড়ি, তার দাদা চারুগাজী ছিল বহু জায়গা জমির মালিক। তখনকার সময়ে নিজে ব্রিকফিল্ড বানিয়ে বর্তমান বাড়িতে বিল্ডিং করেছিল, তখন সচরাচর বিল্ডিং ছিলনা গ্রাম্য লাকায়। জামাল এর পিতা মোঃ সিরাজুল ইসলাম চেয়ারম্যান, তিনি ছিলেন মেধাবী শিক্ষিত লোক, তিনি দেশ ও দেশের বাইরে লেখা পড়া শেষ করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আওয়ামী লীগের রাজনীতি শুরু করেন, তিনি ছিলেন মুক্তি যুদ্ধের সংগঠক। তিনি ২ নং দক্ষিণ ভবানী পুর ইউনিয়ন এর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, ধাপে ধাপে উপজেলা জেলা কেন্দ্রীয় পদ পদবী ও লাভ করেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাকে পাকিস্তানীরা না-পেয়ে তার বাড়িতে পর পর কয়েক বার আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছিল।তিনি রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন, দরগার নামা প্রাথমিক বিদ্যালয়,বৈশখলা,প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা, বাতাইছরি হাইস্কুল, বরুড়া সহীদ স্মৃতি কলেজের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্য অন্যতম প্রধান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ঘরের টিন খুলে দিয়ে, জমি বন্ধকি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর পাশে দাঁড়িয়েছেন।অসংখ্য সামাজিক কাজে জড়িত ছিলেন যা মানুষ চিরকাল স্বরন করবেন। জামাল হোসেন এর মৃত বড় দুই ভাই জাহাঙ্গীর হোসের (অডিটর) তিনি ও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, উচ্ছ শিক্ষা গ্রহণ করে পরবর্তীতে সরকারি অডিট অফিসার ছিলেন, পাশাপাশি সমাজে নেতৃত্ব দিতেন।ছাত্রলীগএবং আওয়ামী লীগের একজন বড় মাপের নেতা ছিলেন। মেঝ ভাই জামশেদ হোসেন বশ্রশিল্পের ক্যমিক্যল ও কালারের ক্যমিষ্ট ছিলেন, নরসিংদী সাহেপ্রতাব সুমি ডাইং প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রির মালিক ছিলেন এবং ডাইং ক্যমিক্যল এর মাধবদী প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক ছিলেন,তিনি একজন দানশীল ব্যক্তি ছিলেন । তিনি ছিয়ানব্বই এর সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিক সাবান নিজে বানিয়ে এলাকার ভোটারদের মাঝে বিতরন করে চমকে দেন,তখনকার সংসদ সদস্য এম এ আবদুল হাকিম কে। জামাল এর ইমিডিয়েট বড় বড় জাকির হোসেন ও একজন কাপড়ের কালার এক্সপার্ট ও ক্যমিষ্ট তিনি ও মাধবদী বাজারের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক। জামাল এর ছোট ভাই সাংবাদিক হাজী জাহিদ, নরসিংদী সাটির পাড়া কালিকুমার উচ্চবিদ্যালয়, নরসিংদী সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদলের জনপ্রিয় ছাত্রনেতা ছিলেন, পরবর্তীতে, জেলা,পলাশ উপজেলা রাজনীতিকরেন।সাংবাদিকতার পাশাপাশি ব্যবসা করেন। সাংবাদিক হাজী জাহিদ এর রয়েছে রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠন এর নরসিংদী জেলা এবং দেশ ও দেশের বাইরে গ্রহণ যোগ্যতা ও সুনাম,সব রাজনৈতিক দলের মাঝে এবং সকাল স্তরের জনসাধারণ এর মাঝে তার গ্রহণ যোগ্যতা, সুনাম ও ব্যাপক পরিচিত। সাংবাদিক হাজী জাহিদ পলাশ উপজেলার প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং নরসিংদী জেলা জার্নালিষ্ট এন্ড রাইটার্স সোসাইটির সভাপতি । জামাল এর রড় ভাই জাহাঙ্গীর এর বড় ছেলে আবদুল্লাহ আহাদ( হিমু) ঢাকা ডিভিশনের সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী (বিসিএস)। আবদুল্লাহ আল মামুন (তানি) শিক্ষক, রেজাই-এলাহি মিঠু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধার সম্পাদক, তার পুরো পরিবার উচ্চ শিক্ষিত হিসেবে ইতিহ্য বহন করে। জামাল হোসেন ছিলেন একজন প্রকৌশলী তিনি দীর্ঘ দিন প্রবাসে থেকে দেশে এসে ব্যাবসার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। মানুষ যত বড় সম্যা নিয়ে তার নিকট আসতেন তিনি শ্রম মেধা দিয়ে তার সুরাহা করেদিতেন, জনপ্রতিনিধিরা ও যা সম্ভব হত না তাও তিনি সম্ভব করে দিতেন বলে জানান এলাকার জনগন। তাকে ডাকলেই মানুষ পাশে পেত।কোন হিংসা বিদ্বেষ মান গরিমা ছিল না তার অন্ততরে। তিনি নম্র,ভদ্র মিষ্টি ভাষী নিঃস্বার্থ সমাজ সেবক ছিলেন, সবার সাথে মিসুক লোক হিসেবে বিবেচিত ছিলেন। তাই তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে তার জানাজায় সকল স্তরের জনসাধারণ ও সকল দলের লোকজন অংশ গ্রহণ করে,তার মৃত্যুতে এলাকার ও পরিবারের অপূরনীয় ক্ষতি হয়ে গেল বলে জানান এলাকার জনগন । তার দাদার সময় থেকে এ পর্যন্ত এলাকার হিন্দু মুসলিম সবার নিকট রয়েছে তাহার পরিবারের মহরোম দহরম সম্পর্ক। মৃত্যু কালে স্ত্রী,এক কন্যা দুই পুত্র সন্তন সহ অসংখ্য ভক্ত বৃন্দ রেখে গেছেন। |