
| Headline : |
|
তারুণ্যময়ী প্রতিভাদীপ্ত আগামী দিনের দিগ্বিজয়ী ও সম্ভাবনাময়ী তারকা সাদিয়া আফরিন খান তনু
বার্তা প্রেরক:- আশিকুজ্জামান আসাদ, চুয়াডাঙ্গা। শিক্ষাতথ্য ডটকম।।
|
|
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (০৪ আগস্ট, ২০২১) :-
নাম তাঁর সাদিয়া আফরিন খান তনু। ডাকনাম তনু নামেই সমধিক পরিচিত। তনু ২০০৩ সালের ১২ জুলাই, কুষ্টিয়া জেলার আমলাপাড়ায় নানার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন, পৈতৃক নিবাস ও স্থায়ী ঠিকানা কুষ্টিয়ার আমলাপাড়াতেই। ![]() তারুণ্যময়ী প্রতিভাদীপ্ত আগামী দিনের দিগ্বিজয়ী ও সম্ভাবনাময়ী তারকা সাদিয়া আফরিন খান তনু সাদিয়া আফরিন খান তনুর এ প্রতিভা ও সাফল্য শুধু লেখাপড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি পাশাপাশি ছেলেবেলা থেকেই সাহিত্য-সাংস্কৃতিক চর্চার প্রতিও ছিল তাঁর সমান আগ্রহ ও ভালোবাসা। লেখাপড়ার পাশাপাশি তনু একজন জাতীয় পর্যায়ের বিতার্কীক, সুমিষ্ট বাচনভঙ্গির অধিকারী এবং আগামী দিনের সাফল্যময়ী তরুণ সঙ্গীতশিল্পী। সঙ্গীত তার ধ্যান এবং প্রেম।তিনি মূলত রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে পরিচিত হলেও পাশাপাশি লোকগীতি ও আধুনিক গানেও সমান পারদর্শী ও সমান জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। বাল্য শিক্ষক, আশরাফুন নাহার দিনুর কাছে তাঁর গান শেখার হাতেখড়ি হয় পরে মা তহমিনা আফরোজার অনুপ্রেরণা ও প্রচেষ্টায় সঙ্গীতের প্রতি আরো উৎসাহিত হন।কুষ্টিয়া শহরের তানসেন সংগীত একাডেমির পরিচালক, ওস্তাদ মতিয়ার রহমান স্যারের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানিকভাবে তিনি সঙ্গীত চর্চা শুরু করেন। এছাড়াও ভারত বরেণ্য উচ্চাঙ্গ সংগীত প্রশিক্ষক, পণ্ডিত শ্যামসুন্দর গোস্বামী সহ দেশ বরেণ্য আরও সংগীত শিল্পীদের কাছ থেকে তিনি সঙ্গীতের তালিম নিয়েছেন । ![]() তারুণ্যময়ী প্রতিভাদীপ্ত আগামী দিনের দিগ্বিজয়ী ও সম্ভাবনাময়ী তারকা সাদিয়া আফরিন খান তনু সাদিয়া আফরিন খান তনুর প্রতিভা শুধু দেশেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এরমধ্যেই তাঁর এ সঙ্গীতপ্রীতি এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি অগাধ ভালোবাসা দেশের শিল্প-সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সম্প্রসারিত করেছে, তরুণদের প্রেরণা যুগিয়েছে, তেমনি তাঁর এ সফলতা এবং গৌরব বিশ্ব সংস্কৃতিতেও সাঁড়া জাগিয়েছে, উজ্জ্বল করেছে বাংলাদেশের নাম। ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত ভারতের আসাম প্রদেশের সাংস্কৃতিক পরিষদ নর্থ ইস্ট ভিশন আয়োজিত প্রতিযোগিতায় রবীন্দ্রসংগীত ক্যাটাগরিতে একমাত্র বাংলাদেশী প্রতিযোগী হিসেবে প্রথম স্থান অধিকারের গৌরব অর্জন করেন এবং সনদপত্রসহ, অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। সাদিয়া আফরিন খান তনুর স্বপ্ন- তিনি একজন আদর্শবান মানুষ হবেন, একজন সুচিকিৎসক হয়ে গরীব ও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াবেন, বাংলাদেশের শিক্ষা -সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে আরো সম্প্রসারিত করবেন। তিনি স্বপ্ন দেখেন তাঁর পিতার আদি নিবাস কুষ্টিয়া জেলার আমবাড়িয়া গ্রামে তাঁর দাদা প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক খানের নামে ‘আব্দুর রাজ্জাক খান মেমোরিয়াল হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠা করবেন, পাশাপাশি তার সঙ্গীত শিক্ষক ওস্তাদ মতিয়ার রহমান স্যারের স্বপ্নের ‘তানসেন সংগীত একাডেমি’-এর সংগীত চর্চাকে আরো সমৃদ্ধ করবেন। সাদিয়া আফরিন খান তনু আমাদের পুরো বাংলাদেশের অহংকার,গোটা নারী সমাজের আইকন, তারুণ্যের অহংকার, সংগ্রামী ও প্রতিভাবান মানুষের স্বপ্ন জয়ের প্রতিচ্ছবি। ২০২০ সালের ২২ ডিসেম্বর, দৈনিক খুলনা বিভাগীয় পত্রিকা ‘দৈনিক তথ্য’-এর বিনোদন পাতায় তাঁর এ সফলতা ও গৌরব নিয়ে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। তনু শিক্ষার্থী হিসেবেও যেমন সফলতা দেখিয়েছেন তেমনি সাহিত্য ও সংস্কৃতিক চর্চাও দেখিয়েছেন তাঁর দূর্দান্ত প্রতিভা ও সাফল্য।মেডিকেল শিক্ষার্থীরা সাধারণত সিলেবাস ও একাডেমিক্যাল চাপ ও অনাগ্রহের ফলে এ সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর প্রতি মনোযোগী খুব একটা হতে পারেন না কিন্তুু তনু তাদের থেকে ব্যতিক্রম, তনুর ভেতরে সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি যে বিরল ভালোবাসা আছে তা তাঁর মেডিকেল বা একাডেমিতে কারিকুলামের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলেনি বরং তিনি আরো অপার সম্ভাবনার দ্বার খুঁজে পেয়েছেন, শেকড়ের টান ও স্বপ্ন দুটোকেই নিয়ে গেছেন সমানভাবে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে। আগামীতেও তাঁর এ চর্চা অব্যাহত থাকবে এবং বাংলাদেশের জন্য আরো অনেক বড় অর্জন বয়ে আনবেন সেই শুভকামনা রইল। |