
| Headline : |
|
বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরও আছে আর্থিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক মর্যাদা পাওয়ার অধিকার -বাবেশিস
।।বার্তা প্রেরক:- মো. আবুল হোসেন, মহাসচিব, বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক সমিতি, কেন্দ্রীয় কমিটি। শিক্ষাতথ্য ডটকম।।
|
|
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (২০ মার্চ, ২০২১) :-
বাংলাদেশ বর্তমানে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সর্বোচ্চ আসনে। সারা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে। যেখানে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে আজ দিশেহারা এবং উন্নয়নে এসে গেছে স্থবিরতা। এই করোনা কালীন সময়েও বাংলাদেশের উন্নয়নের গতি থেমে নেই। আজ বাংলাদেশ বর্তমান বিশ্বের নিকট একটি রোল মডেল। অধিকাংশ দেশ এখন বাংলাদেশকে অনুসরণ করে। আলোচনার শীর্ষে এখন বাংলাদেশের নাম।বাংলাদেশ এখন ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত। মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। বছরের প্রথম দিন সারা বাংলাদেশে শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেওয়া একটি সেরা সাফল্য। কিন্তু দুঃখের বিষয় বাংলাদেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর থেকে অদ্য পর্যন্ত বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পূর্ণাঙ্গ সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। একজন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক বাড়ি ভাড়া পায় ১০০০ টাকা, চিকিৎসা ভাতা পায় ৫০০ টাকা এবং ২০০৪ সাল থেকে উৎসব ভাতা দেওয়া হচ্ছে মূল স্কেলের ২৫ শতাংশ হারে। নেই বদলির সুযোগ সুবিধা, নেয় সন্তানের শিক্ষা ভাতা, নেই স্বল্প সুদে গৃহঋণের ব্যবস্থা, নেই পেনশনের সুযোগ সুবিধা।একজন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক অবসরপ্রাপ্ত হলে বর্তমানে যে সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান তাহলো এককালীন অবসর ও কল্যান তহবিলের সুযোগ সুবিধা। এই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয় শিক্ষকদের মূল স্কেলের ১০ শতাংশ হারে কর্তনকৃত টাকা থেকে। অবসর ও কল্যাণ তহবিল মিলে যা পাওয়া যায় তাহলো সর্বশেষ স্কেলের সমতুল্য ১০০ মাসের বেতন। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালি জাতির স্থপতি, স্বাধীনতার স্বপ্ন পুরুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার। শিক্ষা ব্যবস্থাকে এক লেভেলে আনার। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নকে অন্তরে ধারণ করে পথ চলতে শুরু করেছিল তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা। দেশে ফিরে এসে হাল ধরেন আওয়ামীলীগের। তিনি বাবার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন যাবত । পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না তার জ্বলন্ত প্রমান আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। আজ বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পৌঁছে গেছে এবং উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় দ্বিতীয়। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত যতবার ক্ষমতায় এসেছেন দেশকে আস্তে আস্তে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম লেখানোর জন্য দৃঢ় মনোবল নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন । আজ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সফলতা অর্জন করতে পেরেছেন। আজ বাংলাদেশ জাতিসংঘের চুড়ান্ত সুপারিশে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছে গেছে। দেশের উন্নয়ন কীভাবে ত্বরান্বিত করতে হয় তার বাস্তব প্রমান আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। আজ সারা বিশ্বের মধ্যে এক আলোচিত নাম বাংলাদেশ। বিশ্বের মধ্যে যতগুলো দেশ আছে তার মধ্যে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে সফলতার দ্বারা অব্যাহত রেখে যা সত্যিই প্রসংশনীয়। বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জানাচ্ছি সালাম এবং অভিনন্দন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে আজ বাংলাদেশ পৌঁছে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ। বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতু নির্মাণ করে যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন সত্যিই তা সারা বিশ্বে প্রসংশনীয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনার নিকট বিনীত অনুরোধ রইল, আপনি এই মুজিববর্ষে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক মর্যাদা রক্ষার্থে সকল বৈষম্যের হাত থেকে আমাদের মুক্ত করুন। |