মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
রবিবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৪ মাঘ ১৪৩২
Headline : ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ -⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ       আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা       অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.’র জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল       তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি       টোক সংবাদপত্র পাঠক ফোরাম পাঠাগারের মুখপত্র উন্নয়ন স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন       এনইআইআর বাস্তবায়ন সময়োপযোগী ও জরুরি পদক্ষেপ: মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন       গণভোট না হলে জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না: বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ      
স্বপ্ন যখন সত্যি! পদ্মা সেতু আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের সফলতার মাইলফলক
বার্তা প্রেরক:- মোহা. আবু সাঈদ সিদ্দিকী। ঠাকুরগাঁও শিক্ষাতথ্য ডটকম।।
Published : Friday, 25 December, 2020 at 11:51 AM, Update: 25.12.2020 2:24:44 PM
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (২৫ ডিসেম্বর, ২০২০) :-
স্বপ্ন যখন সত্যি! পদ্মা সেতু আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের সফলতার মাইলফলক

স্বপ্ন যখন সত্যি! পদ্মা সেতু আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের সফলতার মাইলফলক

১৯৯৮ সালে যেদিন বঙ্গবন্ধু সেতু জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয় সেদিনই তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সেই অনুষ্ঠানেই পদ্মাসেতু নির্মাণের ঘোষণা দেন। বিষয়টি নিন্দুকেরা এটাকে রাজনৈতিক বুলি বলে আখ্যায়িত করেন। আসলেই আমাদের মতো দেশের জন্য এটা দুঃসাধ্যের বৈকি। বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণে পাকিস্তান আসলে যুক্ত ফ্রন্ট সরকার থেকে স্বপ্ন দেখা শুরু হয়, আর এর যবানিকা হয় ৪৪ বছর পরে ১৯৯৮ সালে বাস্তবতার মধ্য দিয়ে। পৃথিবীর বড় বড় নদীর মধ্যে সবচেয়ে বিচিত্র চরিত্রের পদ্মা নদী। এর যেমন গভীরতা তেমনি ইহা স্রোতস্বিনী। এ নদী এক এক সময় এক এক রূপ ধারণ করে। ইহা ছাড়াও বিশ্বের বিরাটকৃত নদীর মধ্যে ইহা অন্যতম। এখানে সেতু নির্মাণ মুখের কথা নয়। সাধ্যের চেয়ে সাধ বড়। তবে এ কথাও সত্য মানুষের ইচ্ছা শক্তির কাছে অসাধ্য বলতে কিছু নেই। এটা প্রমাণিত হলো- গত ১০ ডিসেম্বর ২০২০ বিজয়ের মাসে এ যেন আর একটি বিজয়। এর জন্য অপেক্ষা করতে হয় প্রায় দুই যুগ। যেই কথা, সেই কাজ। ১৯৯৮ সালেই এর প্রাক সম্ভাব্যতা যাচাই করা শুরু হয়।

ভিত্তি স্থাপন : 
২০০১ সালের ৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণে ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন। কিন্তু এর মধ্যেই রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে এর কার্যক্রম থেমে যায়। তবে ২০০৪ সালে জাপানের দাতা সংস্থা জাইকা তাদের সমীক্ষা শেষে মাওয়া-জাজিরা প্রান্তে সেতু নির্মাণে মতামত দেয়; যা আজ বাস্তবতা সেখানেই। কিন্তু তৎকালীন চার দলীয় বিএনপি জোট ক্ষমতায় থাকাকালে সরকার তেমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। ফলে পদ্মা সেতুর স্বপ্ন অধরায় রয়ে যায়।

পদ্মা সেতুর বাজেট : 
২০০৭ সালে তৎকালীন সেনাসমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্প একনেকে পাশ করে। এ প্রকল্প ব্যয় ধরা হয় ১০ হাজার ১৬২ কোটি টাকা। ২০১১ সালে প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে ধরা হয় ২০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে দ্বিতীয় দফা বাড়িয়ে এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। কিন্তু এতেও ব্যয় সংকুলান না হওয়ায় ২০১৮ সালের জুনে আবার বাজেট বাড়িয়ে করা হয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। এখানেই হয়তো শেষ নয়; এর সম্পূর্ণ  কাজ সমাপ্ত করতে সময়ই বলে দেবে চূড়ান্তভাবে কত টাকা ব্যয় হবে।

পদ্মা সেতুর ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি : 
২০০৯ সালে এক ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ পুনরায় ক্ষমতায় এসেই স্বপ্নের বহুমূখী পদ্মাসেতু নির্মাণে অগ্রাধিকার দেয়। আওয়ামীলীগ সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা তাঁর দ্বিতীয়বার ক্ষমতার মেয়াদেই অর্থাৎ ২০০৯-২০১৪ সালের মধ্যেই পদ্মা সেতু নির্মাণ সমাপ্তের জন্য ২০১৩ সালকে টার্গেট করে কাজ শুরু করেন। এ সময় যোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন সৈয়দ আবুল হোসেন। তিনিও অত্যন্ত পরিশ্রম করে দাতা সংস্থা- বিশ্বব্যাংক, জাপানী আর্থিক প্রতিষ্ঠান জাইকা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানসহ বিদেশী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এখন কাজ শুরুর পালা। ইতোমধ্যেই আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও আন্তর্জাতিক মহলে ষড়যন্ত্র শুরু হয়, যাতে শেখ হাসিনা সরকার এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে না পারে। তাদের নাসিকার ঘ্রাণ শক্তি এতোই প্রবল যে, যেখানে জনমানবের চিহ্নই নেই- সেখানে তাজা পায়খানার গন্ধ পেয়ে নাক ঢেকে দূরে সরে যান। 
পদ্মা সেতুর কাজই যেখানে শুরু হয়নি, সেখানে দুর্নীতি হয় কিভাবে? এই সরল সমীকরণটি তারা বুঝতে পারেন না। এই তথাকথিত দুর্নীতির অজুহাতে বিশ্বব্যাংক একতরফাভাবে চুক্তি মোতাবেক পদ্মা সেতুর  অর্থছাড় স্থগিত করে। সেই সাথে দেশীয় ষড়যন্ত্রকারীরা উঠেপড়ে প্রপাগান্ডা ছড়াতে থাকে। কিন্তু সত্যকে চাপা দিয়ে রাখা যায়না।
তাদের উত্থাপিত তথাকথিত দুর্নীতির ধোঁয়া কেটে যায় কানাডীয় আদালতের রায় ও দুদকের নিবিড় তদন্তে। এর মধ্যে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনকে পদত্যাগে বাধ্য করতে বিশ্বব্যাংকের চাপ আসে। যোগাযোগমন্ত্রীর পদত্যাগের পরও বিশ্বব্যাংক নানা ছলনায় অর্থছাড় বন্ধ করে রাখে। এমতাবস্থায় পদ্মা সেতু নির্মাণে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। ষড়যন্ত্রকারীরা এমনটাই চেয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে যোগাযোগমন্ত্রী কোনো ফ্যাক্টর ছিলনা- ছিল সরকারের মেয়াদে যাতে পদ্মা সেতু না হয়। আসলে সমাজের উন্নতির জন্য যেমন মানুষ কাজ করে আবার কিছু মানুষ আছে যারা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ দেশের স্বার্থের চেয়ে বড় করে দেখে। এ প্রসঙ্গে তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, “বিশ্বব্যাংক আমাকে টার্গেট করে নয়, আওয়ামীলীগ সরকার ২০০৯-২০১৪ মেয়াদে যাতে পদ্মা সেতু শেষ করতে না পারে তা টার্গেট করে ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছে। আমাকে উপলক্ষ মাত্র”।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন ১৯৬৬ সালে ৬-দফা দাবি উত্থাপন করেন- তখনও শাসকগোষ্ঠী যেমন এটা মেনে নিতে পারেনি, তেমনি দেশীয় প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক গোষ্ঠী এটা ভারতের ‘র’ এর কারসাজি তথা শেখ মুজিবকে ভারতের দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও এর ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু আদর্শ যদি ঠিক থাকে, উদ্দেশ্য যদি মহৎ হয়, তবে এটাকে শত বেড়াজালেও কেউ আটকায়ে রাখতে পারে না। স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণ নিয়ে এমন লুকোচুরির দাবা খেলা নিয়ে যখন সাধারণ মানুষের মনে সংশয় দেখা দেয়, শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাতি নিভে গেছে এমন আশা নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীরা যখন অট্টহাসিতে মাতাল, ঠিক তখনই নিজের প্রতি দৃঢ় আস্থা নিয়ে তিনি ঘোষণা করেন নিজস্ব অর্থায়নেই পদ্মা সেতু হবে, কারোর দয়ায় নয়। তখনও ষড়যন্ত্রকারীরা নানা টিপ্পনী কাটতে থাকেন। কিন্তু এখন তা মিথ্যায় পর্যবসিত হয়েছে।

প্রবল ইচ্ছা শক্তি কারোর কাছে হার মনেনা : 
বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল ছোট্ট রাষ্ট্র। কিভাবে পদ্মা সেতুর মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ প্রকল্পের অর্থ যোগান দেবে, দেশের বোদ্ধামহলের কপালেও ভাঁজ পড়ে- বিষয়টি অতো সহজ নয়! তখন দৃঢ়চেতা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা শান্তভাবে অবিচল থেকে পথ বাতলিয়ে দেন-কিভাবে অর্থ যোগান হবে। কর্মযজ্ঞ শুরু হয় দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বপ্নের প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর কাজ। এই চলমান প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর দুপুর ১ টায় মুন্সিগঞ্জের মাওয়া পয়েন্টে সুইচ চিপে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সে হিসেবে বর্তমান দৃশ্যমান পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যান বসানো পর্যন্ত সময় লাগে ৪ বছর ১১ মাস ২৮ দিন। অবশ্য এর আগে ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে মূল সেতুর কাজ শুরু হয়। এর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ পায় চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী। তাদের সাথে ৪ বছরের মধ্যেই কাজ শেষ করার জন্য ১২ হাজার ১৩ কোটি টাকার চুক্তি হয় সরকারের। কিন্তু কাজ শুরুর পরের বছরই মাওয়ায় স্থাপিত নির্মাণ মাঠের বিচিং প্লান্টসহ একাংশ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ২০১৭ সালে প্রতিটি খুঁটির নিচে মাটি পরীক্ষায় ২২টি খুঁটির নিচের নরম মাটি পাওয়া যায়। ফলে নকশা সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দেয়। তাছাড়া নদী শাসন ও অন্যান্য প্রাক কাঠামো নির্মাণে সময় আরো ১ বছর বেড়ে যায়। এতো কিছুর প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ৬.১৫ কিলোমিটার মূল সেতুর মাওয়া ও জাজিরা পাড়ের বন্ধন করতে মোট ৪১ টি স্প্যান বসানো হয়। এর সর্বশেষ স্প্যানটি চলতি বছরের ১০ ডিসেম্বরে বসানোর মধ্য দিয়ে পুরো বহুল প্রত্যাশিত স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’ অশান্ত পদ্মা নদীর বুকের ওপর লাল সবুজের পতাকা নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের মুখে চুনকালী দিয়ে বীরদর্পে দাঁড়িয়ে যায়। স্বপ যখন সত্যি ! প্রমাণিত হয় মহৎ উদ্দেশ্য প্রবল ইচ্ছা শক্তি কোনো বাঁধার কাছে হার মানে না।
 পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামো : 
মোট পিলার ৪২টি, স্প্যান ৪১টি। প্রতিটি পিলারের দূরত্ব ১৫০ মিটার। অর্থাৎ প্রতি স্প্যানের দৈর্ঘ ১৫০ মিটার। প্রথম স্প্যানটি বসানো হয় ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে ২০১৭ সালর ৩০ সেপ্টেম্বর। এভাবে ১ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয় ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয় ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয় ৬ জানুয়ারি ২০২০, ৪ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয় ২৮ মার্চ ২০২০, ৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান হয় ২৫ অক্টোবর ২০২০ এবং সর্বশেষ পুরো সেতু দুশ্যমান হয় ১০ ডিসেম্বর ২০২০। এখন বিশ^বাসী অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে দেখছে বাংলাদেশও পারে অসম্ভবকে সম্ভব করতে। 

দ্বিতীয় বিজয় : 
যে জাতি অসম যুদ্ধে জয়লাভ করে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনতে পারে, সে জাতিই পারে পদ্মা নদীর মতো পৃথিবীর বিরাটকায় দুর্ধর্ষ নদীকে বশে আনতে। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ জাতি বিজয় অর্জন করেছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অঙ্গলি হেলনে- যে বিজয়ে আমরা পেয়েছি একটি জাতি, একটি পতাকা ও একটি মানচিত্র। এর ৪৯ বছর পর সেই বিজয়ের মাসেই ১০ ডিসেম্বর ২০২০ এ এসে জাতি আবার একটি বিজয় লাভ করলো বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ইচ্ছা শক্তিতে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে। তাই নির্দ্বিধায় বলতে হয় এ বিজয়ের কান্ডারি শেখ হাসিনা। জয়তু শেখ হাসিনা। 


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ -⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ
আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.’র জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)