মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
শুক্রবার ৩১ জুলাই ২০২৬ ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
তথ্য গোপন করে জালিয়াতি করা সেই শিক্ষকই পেয়েছেন পদোন্নতি
বার্তা প্রেরক:- গোলাম তোফাজ্জল কবীর মিলন, বাঘা, রাজশাহী। শিক্ষাতথ্য ডটকম।।
Published : Wednesday, 11 November, 2020 at 9:31 PM
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (১১ নভেম্বর, ২০২০) :-
পৌরনীতি বিষয়ের শিক্ষক মোহাঃ হোসেন কবির  ১৯৯৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর প্রভাষক পদে যোগদান করেন। ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বর একই প্রতিষ্ঠানে প্রভাষক পদে যোগদান করেন জীব বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক মোঃ সামরুল হক। কিন্তু তথ্য গোপন করে সহকারি অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য চলতি বছরের ৯ মে আঞ্চলিক পরিচালক (শিক্ষা) রাজশাহী অঞ্চল বরাবর আবেদন করেণ  জুুনিয়র শিক্ষক মোঃ সামরুল হক। তার যোগদানের তারিখ ঠিক রাখা হলেও হোসেন কবিরের যোগদান দেখানো হয়েছে ২০০২ সালের ৭ জানুয়ারি। আর জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে জুনিয়র শিক্ষক সামরুল হকের পদোন্নতির জন্য উচ্চতর স্কেলের সুপারিশ করে আঞ্চলিক পরিচালক (শিক্ষা) রাজশাহী অঞ্চল এর নিকট শিক্ষক প্যাটার্ন জমা দেন অধ্যক্ষ।

এদিকে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে পদোন্নতি না দেওয়ার জন্য চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আঞ্চলিক পরিচালক (শিক্ষা) রাজশাহী অঞ্চল এর নিকট অভিযোগ করেন  সিনিয়র শিক্ষক মোহাঃ হোসেন কবীর এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পদোন্নতির সুপারিশের জন্য ২৫ ফেব্রুয়ারি অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করেন তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এ ব্যাপারে অভিযোগ করলেও তথ্য যাচাই-বাছাই না করেই জুনিয়র ওই শিক্ষকের পদোন্নতির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরে সুপারিশ প্রতিবেদন পাঠান আঞ্চলিক পরিচালক। আর জালিয়াতির মাধ্যমেই সহকারি অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান সেই জুনিয়র শিক্ষক সামরুল হক। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অবৈধ সুবিধা নিয়ে ও তথ্য গোপন করে জুনিয়র শিক্ষককে পদোন্নতির এই অভিযোগ করেছেন পদোন্নতি বঞ্চিত সিনিয়র শিক্ষক মোহাঃ হোসেন কবির। বিষয়টি নিয়ে কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. কামারুজ্জামান, পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষক মোহাঃ সামরুল হক, রাজশাহীর আঞ্চলিক পরিচালক,উপ পচিালক  ও মহাপরিচালকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন সিনিয়র শিক্ষক  হোসেন কবির ।

সিনিয়র শিক্ষক  হেসেন কবির বলেন, অধ্যক্ষ বিষয়টি আমলে না নিয়ে উচ্চতর স্কেলের জন্য শিক্ষক প্যার্টানে জমা দেওয়া কাগজপত্র স্ক্যান করে  যোগদানের তারিখ ও স্বাক্ষর জালিয়াতি করে জীববিজ্ঞানের প্রভাষক সামরুল হককে সিনিয়র হিসেবে উল্লেখ করে আঞ্চলিক অফিসে তালিকা পাঠান। অধ্যক্ষের পাঠানো তথ্যর ভিত্তিতে রাজশাহীর আঞ্চলিক অফিস জীববিজ্ঞানের  জুনিয়র শিক্ষক প্রভাষক মোঃ সামরুল হককে পদোন্নতি দেন। ইতোমধ্যে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে (এমপিওভুক্ত) তার জুলাই মাসের বেতনও চলে এসেছে। সে কারণেই গত আগষ্ট মাসে মামলা করেছি। (মামলা নং-১৫/২০২০) 

এর আগে, গত ৮ জুন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (ঢাকা) এর উপপরিচালক ও মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। গত ২৯ জুন বিষয়টি তদন্ত করে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। এই বিষয়ে মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদফতর ৩ সেপ্টেম্বর রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী পরিচালককে তদন্তের নির্দেশ দেয়। গত ২৭ সেপ্টেম্বর সরেজমিন ঘটনা তদন্ত করতে কলেজে যান রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী পরিচালক (কলেজ, চলতি দায়িত্বে) ড. আবু রেজা আজাদ। তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যান আঞ্চলিক পরিচালক ড. মো. কামাল হোসেন নিজেই। 

মুঠোফোনে কথা হলে অধ্যাপক ড. মো. কামাল হোসেন বলেন, অভিযোগের পর অধ্যক্ষের পাঠানো কাগজপত্রে জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। সরেজমিন তদন্ত করে অধ্যক্ষকে শোকজ করা হয়েছে। তবে নিয়ম মাফিক যার প্রাপ্য তিনিই পদোন্নতি পাবেন।  অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান বলেন, প্রভাষক মোঃ সামরুল হককে কাগজগুলো স্ক্যান করে অনলাইনে পাঠাতে বলেছিলাম। কাগজপত্র স্ক্যান করতে গিয়ে তিনি ভুল করেছেন বলে লিখিতভাবে স্বীকার করেছেন। সে কারণে আমি তাকে শোকজও করেছি।  প্রভাষক মোঃ সামরুল হক বলেন, ‘ স্যারেন্ডার করে বিষয়টি নিয়ে মীমাংসা করা হবে। যা কিছু হয়েছে সিস্টেম অনুযায়ী। 


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
মানবতার ফেরিওয়ালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক
জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বোয়ালখালী প্রেসক্লাব
জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বোয়ালখালী প্রেসক্লাব
বোয়ালখালীতে পুকুরে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)