
| Headline : |
|
গলাচিপায় কালের স্বাক্ষী গুরিন্দা মসজিদ সংস্কারের দাবী
বার্তা প্রেরক:- গোফরান পলাশ, পটুয়াখালী।।
|
|
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (১১ অক্টোবর) :-
![]() পটুয়াখালীর গলাচিপায় ইতিহাস ও কালের স্বাক্ষীগুরিন্দা মসজিদ। উপজেলার রতনদী তালতলী ইউনিয়নে উলানিয়া সড়কের পূর্ব পাশেঅবস্থিত মুসলিম ঐতিহ্যের প্রাচীন ও অন্যতম নিদর্শন এক গম্বুজ বিশিষ্টগুরিন্দা জামে মসজিদটি, যা প্রয়োজনীয় সংস্কার ও রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে এখনধ্বংসের পথে। তাই প্রাচীন কালের স্বাক্ষী এ মসজিদটি সংস্কারে স্থানীয়রাসরকারের প্রতি দাবী জানিয়েছেন। স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, গুরিন্দা জামে মসজিদ বাকলা চন্দ্রদ্বীপমুসলিম আধিপত্যের প্রায় সূচনালগ্নে নির্মিত হয়েছিল। ১৫৮৪ সালে গুরিন্দাজামে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। আবার কারও মতে এ অঞ্চলে মুসলমানদের আগমনঘটে ১৪৬৫ খ্রীস্টাব্দে সুলতান মোবারক শাহের চন্দ্রদ্বীপ বিজয়ের আগে। তখনহয়তো এটি নির্মান করা হয়েছে। মসজিদের মূল ভবনটি প্রায় ৩৬০ বর্গফুটক্ষেত্রফল বিশিষ্ট বর্গাকৃতির। এর উচ্চতা প্রায় ১৬ ফুট। এটি একটি একতলামসজিদ। একটি মাত্র গম্বুজ বলে এক গম্বুজ মসজিদই বলা হয়ে থাকে এটিকে।মসজিদটি ভূমি থেকে প্রায় চার ফুট উঁচুতে নির্মাণ করা হয়েছে। মসজিদটিরদক্ষিণে অদূরে রয়েছে একটি বৈঠকখানা। কিন্তু প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবেদিন দিন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সেটিও। তাই খুব দ্রুত মসজিদের সংস্কার করা নাহলে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে প্রাচীন কালের স্বাক্ষী এ মসজিদটি। এ বিষয়ে রতনদী তালতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম মোস্তফা খান বলেন,’এই মসজিদটি অনেক পুরনো এবং জমিদারদের করা। সংস্কার করা হলে মসজিদটি আবারজীবন ফিরে পাবে।’ গলাচিপা উপজেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির রতনদী তালতলী ইউনিয়নের টিম লিডারও সমাজ সেবক মোঃ শাকিল খান বলেন, ’এই গুরিন্দা বাজার মসজিদটি সংস্কার করাহলে মুসল্লীরা ফিরে পাবে শত বছরের সেই পুরনো স্মৃতি।’ #১১-১০-১৯ |