
| Headline : |
|
শিক্ষা ও কৃষিতে এগিয়ে গেলে শরণখোলায় পর্যটনশিল্পের বিকাশে সহায়ক হবে
২০২১ সালের মধ্যে শরণখোলাকে একটি উন্নয়নশীল এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারব
-এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ,সাবেক সভাপতি,বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
|
তিনি নেতা, জননেতা। ভালোবাসার চাদর দিয়ে জনগণই তার চারপাশ ঘিরে রাখে সারাক্ষণ। শত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি ছুটে যান এলাকার হত-দরিদ্র মানুষের পাশে খাদ্য নিয়ে, শীতের বস্ত্র নিয়ে জড়িয়ে দেন দক্ষিণের কনকনে ঠান্ডায় কাতর দুঃখী মাকে। তিনি শিক্ষা বঞ্চিত শিশুদের বই-খাতা কিনে দেন, উৎসাহ দেন নতুন জামা-কাপড় কিনে দিয়ে স্কুলমুখী করতে। এলাকার সার্বিক শিক্ষার উন্নয়ন, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন সহ এমন কোন কল্যাণকর কাজ নেই যা তিনি জনগণের জন্য করেন না। আর সেই প্রিয় ব্যক্তিত্ব হলেন তুখোড় সাবেক ছাত্র নেতা জনাব এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ। তিনি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতির দায়িত্বও পালন করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে তোলেন।এখানে বলে নেয়া প্রয়োজন যে, শিক্ষাবিষয়ক জাতীয় ম্যাগাজিনধর্মী পত্রিকা মাসিক শিক্ষাতথ্য’র উদ্যোগে বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার ‘শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন এবং ইতিহাস-ঐতিহ্য’ শীর্ষক “বিশেষ উপজেলা সংখ্যা” বের হচ্ছে। উক্ত সংখ্যায় একজন সাবেক ছাত্রনেতা, দক্ষ রাজনীতিবিদ হিসেবে বিশেষ তথ্য সংযোজনের জন্য শরণখোলা-মোড়েলগঞ্জের প্রিয় নেতা জনাব এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ-এর মুখোমুখি হই। তিনি তার এলাকার শিক্ষা, উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য তুলে ধরেছেন। তাই তাঁর দেওয়া মূল্যবান সাক্ষাৎকারের অংশ বিশেষ শিক্ষাতথ্য পত্রিকার অগণিত পাঠক এবং বাগেরহাট জেলার শরণখোলা-মোড়েলগঞ্জবাসীর জন্য তুলে ধরা হলো: শিক্ষাতথ্য: আপনি একজন জনপ্রিয় ছাত্র নেতা তথা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি। আপিন আপনার এলাকার মানুষের কাছেও সমানভাবে জনপ্রিয়-‘জনতার প্রিয় নেতা’; তাই জননেতা হিসেবে নিজের মূল্যায়ন করুন এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ: মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানাই। পত্রিকাটির পক্ষ থেকে শরণখোলা উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার উপর একটি বিশেষ উপজেলা সংখ্যা প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আপনারা জানেন যে, শরণখোলা হচ্ছে একেবারে সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা একটি জনপদ। শরণখোলা একদিকে সুন্দরবন আরেকদিকে বলেশ্বর নদী বিধৌত এলাকা। এখানে প্রচুর কৃষি জমি রয়েছে, তবে কোন ধরনের কোন শিল্পায়ন নেই। এ কারণে আমাদের এখানকার পরিকল্পনা হচ্ছে কৃষি ও শিক্ষা-কেন্দ্রিক। শিক্ষাতথ্য: আপনার এলাকার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে আপনি কী কী ভূমিকা পালন করেছেন? এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ: আপনারা জানেন যে, বর্তমান সরকারের আমলে আমরা শরণখোলা ডিগ্রি কলেজে অনার্স কোর্স চালু করেছি এবং সেই ব্যাপারে আমার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা ছিল। ইতিমধ্যেই শরণখোলা ডিগ্রি কলেজ এবং রায়েন্দা পাইলট হাই স্কুলকে জাতীয়করণের প্রক্রিয়া চলছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শরণখোলা ডিগ্রি কলেজ এর সাথে সরকারের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। রায়েন্দা পাইলট হাই স্কুলও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি আমাদের এখানে সমান সংখ্যক মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা রয়েছে। এগুলোরও উন্নয়ন হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব তৈরী হয়েছে, যাতে এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা যেন তথ্য-প্রযুক্তির সেবাটাও পায়। যেমন, শরণখোলা ডিগ্রি কলেজের অনার্স কোর্স চালু করার ফলে আমাদের ছেলে-মেয়েরা শরণখোলা থেকেই উচ্চশিক্ষা লাভের সুযোগ পেয়েছে ঠিক তেমনিভাবে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব তৈরীর করার ফলে তারা উন্নত তথ্য-প্রযুক্তির সেবাটাও পাচ্ছে। আপনারা জানেন যে, ২০১৩ সালে সারা বাংলাদেশে আমাদের ২৬,০০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছে। তার অংশ হিসেবে আমাদের এখানেও প্রায় অর্ধশত প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছে। আর বর্তমান সরকারের টেপনিস প্রকল্পের আওয়ায় এখানে প্রায় অর্ধশত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। অতিসম্প্রতি আমাদের এলাকার ১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের অনুমোদন হয়েছে। এর পূর্বে আরো ১০টি বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের অনুমোদন হয়েছে। তেমনিভাবে আমরা শরণখোলা উপজেলায় শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে চাই। আমরা শিক্ষা ও কৃষি- এই দুটোকেই বেশি প্রাধ্যান্য দিচ্ছি। আমাদের এখানে পর্যটনশিল্পেরও অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা মনে করি, শিক্ষা ও কৃষিতে যদি আমরা এগিয়ে যেতে পারি তাহলে পর্যটনশিল্পের বিকাশের ক্ষেত্রে তা সহায়ক হবে। ![]() তাছাড়াও আপনারা জানেন যে, আমাদের অঞ্চল একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এলাকা। আপনি দেখবেন যে, মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলায় একাধিক ধর্মের লোক বাস করেন। বিশেষ করে হিন্দু ও মুসলমান ধর্মের মানুষ অত্যন্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সাথে বসবাস করেন। এখানে যেমন অনেক মাদরাসা রয়েছে ঠিক তেমনি সাধারণ শিক্ষারও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উন্নয়নের ব্যাপারে আমরা এখানে সুষম বন্টনে বিশ্বাস করি। সাধারণ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান উন্নয়নের পাশাপাশি মাদরাসা শিক্ষার প্রতিষ্ঠানেরও সমভাবে উন্নয়ন ঘটছে। আপনারা জেনে খুশি হবেন যে, শরণখোলা একেবারে অজপাড়াগাঁয়ে একটি মাদরাসা রয়েছে ঝিও ধরাইল ইউনিয়নে। যে মাদরাসার কর্তৃপক্ষ আমাকে সভাপতি বানিয়েছিল এবং সেখানে আমি ইতিমধ্যে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের রাজৈর নেসারী সিনিয়র মাদরাসা, সেখানেও শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করে দেয়া হয়েছে। আমাদের মোড়লগঞ্জের আমতলী কামিল মাদরাসা, সেখানে কামিল পরীক্ষার কেন্দ্র করে দেয়া হয়েছে। সেটাও আমার প্রচেষ্টায় সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষাতথ্য: মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকার পক্ষ থেকে শরণখোলা উপজেলা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আপনার এলাকায়ও ব্যাপক জনপ্রিয়তা দেখেছি। এমন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে এলাকার জনকল্যাণে কী কী কাজ করার সুযোগ আপনার হয়েছে? এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ: আপনারা জানেন যে, বর্তমান সরকারের সময়ে শরণখোলা অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই আমাদের খুলনা-বরিশাল মহাসড়কের সাইন বোর্ড পয়েন্ট থেকে শরণখোলার বগি পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়কের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের এলজিডি’র একাধিক প্রকল্পের মধ্য দিয়ে এখানকার বিশেষ করে ইফাদ এর সহায়তায় আমাদের গ্রামীণ হাট-বাজারের উন্নয়ন প্রকল্প সম্ভব হয়েছে। আমরা জানি, বর্তমানে শুধু মোড়েলগঞ্জ-শরণখোলায় বৃহত্তর খুলনা এলজিডি’র প্রকল্পের আওতায় ১২৪ কোটি টাকার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ধরনের বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের রয়েছে। আমরা আশা করি ২০২১ সাল নাগাদ আমাদের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা শরণখোলাতে চলতে থাকবে। আমাদের অঙ্গীকার রয়েছে যে, ২০১৮ সালের মধ্যে প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া এবং সেই লক্ষ্যে শরণখোলা উপজেলার পাশেই আমতলী নামক স্থানে আমরা ৫ মেঘাওয়াটের একটি সাবষ্টেশন তৈরী হয়েছে, যার সুফল শরণখোলাবাসী ইতিমধ্যেই পাচ্ছে। আমরা বিশ্বাস করি, আমরা ২০২১ সালের মধ্যে শরণখোলাকে একটি উন্নয়নশীল এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারব। শিক্ষাতথ্য: আপনি একজন দক্ষ রাজনীতিবিদ, ছাত্রলীগের মতো বৃহৎ সংগঠনের সাবেক সভাপতি। আগামী জাতীয় নির্বাচনে আপনাকে যদি শরণখোলা-মোড়েলগঞ্জের প্রার্থী হিসেবে দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে আপনার প্রতিক্রিয়া কী? এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ: শিক্ষাতথ্য পরিবারকে আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমন একটা সুন্দর প্রশ্ন করার জন্য। আপনারা জানেন যে, আমি এই এলাকারই সন্তান। বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলার আলো বাতাসে বড় হয়েছি। তাই ছোট বেলা থেকেই শরণখোলা-মোড়েলগঞ্জ এলাকার উন্নয়নের ব্যাপারে আমার অনেক আগ্রহ রয়েছে, যার প্রতিফলন ইতিমধ্যেই এলাকাবাসী লক্ষ্য করেছেন। আর এক সময় আমি ছাত্রলীগের সারা বাংলাদেশের নেতৃত্বে ছিলাম। আওয়ামী লীগই আমাকে মানুষের সেবা করার ব্রত শিখিয়েছে। আগামীতে আমি আমার এলাকার উন্নয়নের জন্য, এলাকার মানুষের জন্য সময় সরোজীবনই কাজ করে যাবো। এটা হচ্ছে আমরা প্রতিজ্ঞা। পাশাপাশি আমার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যদি মনে করে যে, আমাকে শরণখোলা-মোড়েলগঞ্জ এলাকার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবে। সে ব্যাপারে আমি আশাবাদীও বটে। আমি বিশ্বাস করি যে, শরণখোলা-মোড়েলগঞ্জ এলাকার জনপ্রতিনিধি হলে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন আমার মধ্য দিয়ে ঘটবে। শিক্ষাতথ্য: আগামী জাতীয় নির্বাচনে শরণখোলা-মোড়েলগঞ্জের প্রার্থী হিসেবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষার উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলবেন কী? এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ: আমি ছাত্রলীগের সভাপতি হওয়ার পর বিগত ৫ বছরে আমার এলাকায় দু’টি কলেজে অনার্স কোর্স চালু করা হয় এবং আমাদের ৩টি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হয়েছে। বহু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তাই আমি মনে করি যে, শিক্ষার উন্নয়নের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই যতটুকু আমরা করেছি ভবিষ্যতে আরো ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটবে বলে আমি মনে করি। ![]() শিক্ষাতথ্য: তরুণদের নৈতিক অবক্ষয় রোধে কার কী করণীয় বলে আপনি মনে করেন? এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ: আমরা চাই মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এবং ছেলে-মেয়েদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে যাতে তারা অপরাধ করতে না পারে। এর ফলে সমাজের অপরাধ প্রবণতাও কমে আসবে। সমাজকে সুন্দরভাবে বিনির্মাণ করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষাতথ্য: আপনার এলাকাকে ঘিরে আপনার ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা সম্পর্কে বলবেন কী? এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ: আমি তো আগেই বলেছি যে, যেহেতু আমার এলাকা শিল্পায়িত নয় সেক্ষেত্রে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে শিক্ষা এবং কৃষিকে ঘিরে। এ দু’টি বিষয়ের উপরই গুরুত্ব বেশি থাকবে। এর পাশাপাশি আমাদের শরণখোলাকে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা। কারণ আমাদের এখানে পর্যটনশিল্পের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বদিউজ্জামান সোহাগ এর সংক্ষিপ্ত জীবনী জনাব এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ১৯৮২ সালের ৩১ ডিসেম্বর বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার কালিকাবাড়ী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জনাব আবু তালিব হাওলাদার এবং মাতা লুৎফুন্নেছা বেগম। জনাব এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ১৯৯৭ সালে বলাইবুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৯৯ সালে সেলিমাবাদ কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ভূগোল ও পরিবেশ’ বিভাগ থেকে বিএসসি (অনার্স) ও এমএস সম্পন্ন করেন। ছাত্র-জীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সাথে জড়িত। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। |