
| Headline : |
|
চোখে দেখছি জনগণের নানা দূরাবস্থা কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে আমি কিছুই করতে পারছি না
বাংলাদেশের মানুষকে শিক্ষা থেকে দূরে রাখার জন্য বিদেশী কোনো চক্র সৃজনশীল পদ্ধতি প্রবর্তনে সরকারকে ইন্ধন যুগিয়েছে
-মো. আনোয়ার হোসেন আকন
মেয়র
পাথরঘাটা পৌরসভা
পাথরঘাটা, বরগুনা।
|
|
বৃষ্টিমুখর দিন। ঝর ঝর অঝোর নয়নে বৃষ্টি ঝরছে। রাস্তাঘাটেও পানি জমে গেছে, ইট-কাদায় পাথরঘাটা জর্জরিত। তার পরেও পাথরঘাটা উপজেলার তাসলিমা মেমোরিয়াল একাডেমীর সম্মানিত প্রধান শিক্ষক জনাব আবুল বাশার আজাদ স্যারের সাথে আলাপ সেরেই জনাব মো. আনোয়ার হোসেন আকনকে ফোন দেই। তখন দুপুর গড়িয়ে যাচ্ছে। তারপরও তিনি আমাদের সাদরে আমন্ত্রণ জানালেন। তাঁর মুখোমুখি হতেই অনেক সমস্যার কথা তুলে ধরলেন। বললেন তাঁর অবদানের কথাও, সেই সাথে স্মৃচিারণ করলেন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে শিহরিত হওয়ার ঘটনা।প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ পাথরঘাটা পৌরসভার তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত মাননীয় মেয়র জনাব মো. আনোয়ার হোসেন আকন-এর কথা বলছি। এখানে তাঁর সাথে আলাপচারিতার চুম্বক অংশ শিক্ষাতথ্য পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো:আলোচনার প্রথমেই বললাম, পাথরঘাটা পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আপনি পৌর কল্যাণে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন? এমন এক প্রশ্নের উত্তরে পৌরমেয়র জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, আমি এই পাথরঘাটা পৌরসভার মেয়র হিসেবে তৃতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছি। নির্বাচিত হওয়ার পর যে বিষয়গুলো উপলব্ধি করেছি, আর তা হলো মানুষের যে মৌলিক চাহিদা আছে সেগুলো আর্থিক সংকটের কারণে আমরা পূরণ করতে পারছি না। আজ আমাদের পৌর এলাকার মানুষের যে চাহিদা রয়েছে তা পূরণ করতে টাকা লাগবে ৫০ কোটি, কিন্তু বরাদ্দ আসছে মাত্র এক কোটি টাকা। এই এক কোটি টাকা দিয়ে পাথরঘাটা পৌরবাসীর জন্য কী ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ করবো? কোন কাজই সুষ্ঠুভাবে করতে পারছি না।আর্থিক সংকট কেমন-সে সম্পর্কে বলতে গিয়ে জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, যে মুহূর্তে আপনাকে আমি সাক্ষাৎকার দিচ্ছি, সেই মুহূর্তে দেখুন পৌরসভার কতোগুলো ওয়ার্ডের জনগণ পানিবন্দি। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র। মেয়র হিসেবে জনগণের এইসব দূরাবস্থা দেখছি কিন্তু দেখেও আমার করার কিছু থাকছে না। তাদেরকে সান্তনা দেওয়া ছাড়া আর করার কিছুই করতে পারছি না। তিনি আরো বলেন, আমরা পানি নিষ্কাশন করার জন্য কোনো মতে পাইপ দিয়ে ড্রেনের কাজ চালাচ্ছি। এমন অবস্থায় একটু বৃষ্টি হলেই এলাকার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় পড়ছে। সরকারি বরাদ্দ না পাওয়া প্রসঙ্গে জনাব আনোয়ার হোসেন বলেন, পাথরঘাটা একটি পরিচিত ও নামকরা স্থান হলেও অনেক প্রকল্প থেকে আমরা বাদ পড়ছি। যেমন সাগর পাড়ের প্রজেক্ট হয়েছে, কিন্তু পাথরঘাটা পৌরসভা তার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। আমরা কোনো প্রজেক্টই দেখতে পাই না। কি কারণে বাদ পড়ি তা আমাদের জানা নেই। এমনও দেখা যায়, বাংলাদেশের এমন অনেক পৌরসভাও রয়েছে যেখানে শত শত কোটি টাকা অলস পড়ে রয়েছে অথচ তাদের কাজ করার কোন জায়গা নেই। আর আমরা কাজ করবো কিন্তু টাকা নেই।বর্তমানে জনকল্যাণে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন? এমন এক প্রশ্নের জবাবে জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, সরকারি যে পে-স্কেল সেটি আমাদের পৌরসভার আয়ে পৌরসভার কর্মচারিদের বেতন দিতে হয়। সে কারণে আমরা কর্মচারিদের বেতন দিতেও হিমশিম খাচ্ছি। অনেক সময়ই তাদের বেতন দিতে পারি না। আমরা আয় বৃদ্ধির জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি-পৌরসভার পক্ষ থেকে মৎস্য মার্কেট করার। ইতিমধ্যেই আমাদের টেন্ডার হয়ে কাজও রানিং আছে। আমরা খুব দ্রুত গতিতে কাজ চালাচ্ছি। অনেক সময় কনট্রাক্টরকে ঋণ দিয়ে হলেও দ্রুত কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটি বাস্তবায়ন হলে কর্মচারিদের বেতন দিতে এতো সমস্যায় পড়তে হবে না।বললাম, শিক্ষার মান উন্নয়নে পৌরসভার কিছু ভূমিকা রয়েছে। আপনার পৌরসভার পক্ষ থেকে এই ধরনের কোনো কর্মসূচি বা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় কী? জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, আমরা আর্থিক সংকটের কারণে অনেক কিছুই পেরে উঠতে পারি না। তারপরও এলাকার শিক্ষার্থীরা যাতে ভালোভাবে পড়ালেখা করতে পারে সেজন্য বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়া বা বৈদ্যুতিক পাখা অর্থাৎ ফ্যান দেওয়া-এগুলো আমরা সরবরাহ করে থাকি। যাতে ছেলে-মেয়েরা একটু স্বাচ্ছন্দে লেখাপড়া করতে পারে। তাছাড়া পৌর এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করা। শিক্ষার্থীরা যাতে ভালোভাবে স্কুলে যেতে পারে সেজন্য রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করছি। আমরা অনেক সময় গরীব শিক্ষার্থীদের খাতা-পত্র, পরীক্ষার ফি ইত্যাদির ব্যবস্থাও করে থাকি।বললাম, বর্তমানে দেখা যাচ্ছে দেশে নৈতিক শিক্ষার বড়ই অভাব। যে কারণে শিক্ষার্থীরা নানা অপকর্ম যেমন সন্ত্রাসী কর্মকা-ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, নৈতিক অবক্ষয় দূর করার জন্য আমরা স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করি। তাদের মাধ্যমে গার্ডিয়ানদের সঙ্গে মিটিং করি এবং তাদের খোঁজ খবর রাখি। তাদের ছেলে-মেয়েরা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মিশছে সেসব খবর রাখতে বলি। তারা ক্লাসে ফাঁকি দেয় কি না, বা তারা ক্লাসে আসার কথা বলে অন্য কোথাও যায় কি না সেগুলো খেয়াল রাখতে বলি। শিক্ষার্থীরা অনুপস্থিত থাকে কি না সেগুলো গার্ডিয়ানদের কাছে খবর নেওয়ার জন্য বলি। এখানে গার্ডিয়ানদের ভূমিকা মুখ্য। তারা একটু সচেতন হলে দেশে এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকা-ে কোনো শিক্ষার্থী জড়িয়ে পড়ার কথা নয়।দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করতে বলা হলে জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, শিক্ষার জন্য আমাদের দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর আগ্রহ অত্যন্ত ভালো। বছরের প্রথমদিনেই সঠিক সময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে যে আগ্রহের সৃষ্টি করেছে তার জন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। অনেক শিক্ষার্থী বইয়ের জন্য ঝরে পড়ে যেতো কিন্তু বই পেয়ে তা হচ্ছে না। সেই ঝরে পড়ার হাত থেকে আমরা অনেকটা বেরিয়ে আসতে পেরেছি।সৃজনশীল পদ্ধতি সম্পর্কে জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, আমাদের শিক্ষকরাই এই সৃজনশীল পদ্ধতি সম্পর্কে জানেন না। আমার মনে হয় বাংলাদেশের মানুষকে শিক্ষা থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য বিদেশী কোনো চক্র ইচ্ছা করে আমাদের দেশে এই পদ্ধতি প্রবর্তনে ইন্ধন যুগিয়েছে। তাই সৃজনশীল পদ্ধতি বাদ দেওয়া উচিত। এতে শিক্ষার মান বাড়েনি। তাই আমি সরকারকে অনুরোধ করছি-যথাশীঘ্র সম্ভব এই সৃজনশীল পদ্ধতি বাদ দেওয়া প্রয়োজন। এর ফলে পরবর্তী প্রজন্মকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।শিক্ষা বিষয়ে পৌরসভার কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, আমার পরিকল্পনা আছে। আমি নিজেও দুটি মাধ্যমিক স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা। আবার আমার নিজের নামেও স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি। আনোয়ার হোসেন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি; যে স্কুলের প্রায় সাড়ে চার শত ছাত্রী শিক্ষা গ্রহণ করছে।আনোয়ার হোসেন আকন-এর সংক্ষিপ্ত জীবনীজনাব মো. আনোয়ার হোসেন আকন ১৯৫৬ সালের ১ এপ্রিল বড় পাথরঘাটার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম-মরহুম আলহাজ্ব আহমেদ আলী আকন, মাতা-মরহুমা শরীফজান বিবি। তাঁরা দুই ভাই, চার বোন।তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় নিজ গ্রামেই। তিনি পাথরঘাটা কে এম মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ১৯৭২ সালে এসএসসি পাস করেন। এরপর তিনি ১৯৭৪ সালে বরগুনা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।জনাব মো. আনোয়ার হোসেন আকন ব্যবসার সঙ্গে নিজেকে সংপৃক্ত করেন। তাঁর বড় ভাই আবদুল জব্বার আকন ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। সেই ইউনিয়নে ১৯৮৮ সালে তিনি নিজেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালে প্রথম পাথরঘাটা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। এরপর তিনি টানা ছয় বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন। এরপরের বছর নির্বাচিত হতে না পারলেও তার পরের বার ২০০০ সালে একই পৌরসভার তৃতীয় মেয়াদ এবং তিনি দ্বিতীয়বার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। এরপর তিনি ২০১৫ সালে তৃতীয়বার অত্র পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন।পারিবারিক জীবনে জনাব মো. আনোয়ার হোসেন আকন দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। তাঁর বড় মেয়ে প্রাইমারী স্কুলের টিচার। বড় ছেলে মনির হোসেন আকন ব্যবসায়ী। ছোট মেয়ে নাজমুন নাহান প্রাইমারীতে শিক্ষকতা করেন। ছোট ছেলে বাড়িতেই থাকে। তাঁর সহধর্মিণী মিসেস শামসুন নাহার একজন সু-গৃহিণী।
বঙ্গবন্ধুর হাতের স্পর্শ এখনওআমাকে শিহরিত করে-মো. আনোয়ার হোসেন আকনমেয়রপাথরঘাটা পৌরসভাপাথরঘাটা, বরগুনা। ১৫ই আগস্ট জাতির জন্য এক মর্মান্তিক স্মরণীয় দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারবর্গকে ঘাতকরা নির্মমভাবে হত্যা করে। বাঙালী জাতি প্রতি বছর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এই কালো দিনটি।১৫ই আগস্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’-এ বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার মাননীয় মেয়র জনাব মো. আনোয়ার হোসেন আকনকে স্মৃতিচারণ করতে বলা হলে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু তাঁর জীবনে প্রথমবারের মতো বরগুনায় এসেছিলেন। সেদিন আমার জীবনে প্রথম স্পর্শ ঘটেছিল বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে। যে স্পর্শ আজও আমাকে শিহরিত করে।পাথরঘাটা পৌরসভার মাননীয় মেয়র জনাব মো. আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, ১৯৬৩ সালের আন্দোলন থেকে শুরু করে আমি আওয়ামীলীগের আন্দোলনের সঙ্গে আছি। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জনাব আনোয়ার হোসেন আকন বলেন, বঙ্গবন্ধু শিশুদের খুব আদর করতেন। তিনি একবার আটষট্টি অথবা ঊনসত্তর সালে প্রথম এই পাথরঘাটায় এসেছিলেন। আমার মনে আছে নদীর ঘাট থেকে আমি নিজে বঙ্গবন্ধুকে হাত ধরে স্পিড বোর্ডে তুলে আনি। তাঁর সেদিনের সেই স্পর্শ আমি আজও অনুভব করি। তিনি সেদিন আমাদের মাথায় হাত বুলিয়ে অনেক দোয়া করেছিলেন। তিনি সব সময় সবার সঙ্গে মিশতেন ঠিক এভাবেই। তিনি একজন সাদামাটা মানুষ ছিলেন। সেদিন তাঁর গায়ে ছিল পাঞ্জাবী আর সেই ঢোলা ঢালা পায়জামা। সব মিলিয়ে এক মাটির মানুষ ছিলেন বঙ্গবন্ধু। পরে তিনি আমাদের হাসপাতাল মাঠে বক্তৃতা দিয়েছিলেন। তারপর আবার আমরা ঘাটে গিয়ে তাঁকে পৌঁছে দিয়ে আসি। এই হলো একজন বঙ্গবন্ধু। একজন সৎ মানুষ ছিলেন তিনি। সাড়ে সাত কোটি মানুষের অভিভাবক ছিলেন তিনি। তিনি তাঁর নীতিতে ছিলেন অটুট। তিনি রাষ্ট্র নায়ক হিসেবে ন্যায়-নিষ্ঠভাবে কাজ করে গেছেন; যা আমাদের দেশের অনেক নেতার মধ্যে নেই। বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন আত্ম সমালোচনাকারী। তিনি বলেছিলেন-সাড়ে কোটি কম্বল আনলাম, তাহলে আমারটা কোথায় গেলো। একজন বীর ও একজন শ্রেষ্ঠ সৎ মানুষ না হলে এই কথাটি বলতে পারেন না। এই কথা থেকে দেখেছি তিনি সারাজীবন এক বীর ও সৎ মানুষ ছিলেন। এমন একজন আপন নেতা এই পৃথিবীতে আর কোনো দিন আসবেন কিনা তা সন্দেহ আছে। আল্লাহ তাঁকে কোন মানসিকতায় পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন তা একমাত্র আল্লাহ্ই জানেন।পাথরঘাটা পৌরসভার মাননীয় মেয়র জনাব মো. আনোয়ার হোসেন আকন বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি চারণ করেন ঠিক এভাবেই। একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক যিনি আমাদের এই স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জাতীয় শোক দিবসে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন তিনি। সকলকে আত্ম-প্রত্যয়ের মাধ্যমে সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান জনাব আনোয়ার হোসেন আকন। |