মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
বৃহস্পতিবার ৭ মে ২০২৬ ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
Headline : ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ -⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ       আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা       অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.’র জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল       তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি       টোক সংবাদপত্র পাঠক ফোরাম পাঠাগারের মুখপত্র উন্নয়ন স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন       এনইআইআর বাস্তবায়ন সময়োপযোগী ও জরুরি পদক্ষেপ: মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন       গণভোট না হলে জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না: বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ      
মায়ের বিষয়ে মুখ খুললো সামিয়ার ছেলে
৭১ সংবাদ ডট কম
Published : Saturday, 7 October, 2017 at 12:16 PM
‘লেখাচুরি’র অভিযোগ প্রসঙ্গে সামিয়া রহমানের ছেলে রাশাদ বলছে,তার তার মায়ের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ ভিত্তিহীন। ফেসবুক স্ট্যাটাসে কিশোর বয়সী রাশাদ বাংলাদেশের ‘সাধারণ মানুষ’কে ‘সবচেয়ে যৌন বৈষম্যবাদী (সেক্সিস্ট)’ এবং বাংলাদেশকে ‘সর্বকালের সবচেয়ে পশ্চাদপদ দেশ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। 

একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে পত্রিকাটি তার মায়ের প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে সেটিকে ‘ফালতু (স্টুপিড)’ পত্রিকা বলে উল্লেখ করেছে।

রাশাদ লিখেছে, ‘গত কিছুদিন ধরে আমার মা, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক সামিয়া রহমান অন্য ব্যক্তির লেখাচুরির অভিযোগের মুখে রয়েছেন। এটা ভিত্তিহীন অভিযোগ ছাড়া্ আর কিছু নয়।’

‘তার (সামিয়া রহমান)  ২০ বছরের বেশি সময়ের কঠোর পরিশ্রম এবং পুরো পরিবারের দিকে কালি ছুড়তে শুরু করে। আসলে কী ঘটেছে, তার বিন্দুমাত্র না জেনেই লোকে অন্ধভাবে মায়ের সমালোচনা করছে,’ লিখেছে রাশাদ।

রাশাদ বর্ণনা্ দিয়েছে, ‘এই ঘটনার শুরু এক অথবা দুই বছর আগে। আমার মায়ের একজন ছাত্র সৈয়দ মারজান (এ ঘটনার খলনায়ক) যৌথভাবে একটি নিবন্ধ লেখার প্রস্তাব দেন। প্রথমে সায় দিলেও পরে মারজানের লেখার ধরন ও দৃষ্টিভঙ্গি তিনি পছন্দ করছিলেন না। ওই নিবন্ধ লেখা থেকে তিনি নিজেকে সরিয়ে নেন। এক বছর কেটে যায়। এরপর ঘটে বাজে ঘটনাটি। বইয়ের লেখা থেকে লোকজন খুঁজে বের করে, অন্য কিছু জার্নাল থেকে প্রচুর রেফারেন্স নেওয়া হয়েছে। এরপরই অন্যের লেখা নেওয়ার ব্যাপারে জানতে লোকজন মাকে ফোন করতে শুরু করে।

‘আমার মা দয়ালু ছিলেন বলেই তার (মারজান) নামে মামলা করেনি। আর মারজান মুখ ফিরিয়ে নিয়ে সাংবাদিকদের বলছেন, সব দোষ সামিয়ার। এরপর  প্রায় সবাই আমার মায়ের বিরুদ্ধে গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, অনেক সাংবাদিক, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা কেউই তার পাশে নাই। এর কারণ একটাই—অভ্যন্তরীণ রাজনীতি।’

রাশাদ লিখেছে, ‘দুশ্চিন্তা করার বদলে ছেলের ফেসবুকে লেখা অনেকের কাছে হাস্যকর মনে হতে পারে। তবে ব্যাপারটা এমন নয়। এ ঘটনা আমার জীবন নষ্ট করে দিচ্ছে বলেই লিখছি। আমাদের পরিবার খুব দুঃসহ সময়ে আছে, মায়ের জীবন দুর্বিসহ। আর সবই হয়েছে কেবল একটি মানুষের জন্য।’

এ ঘটনায় যথাসময়ে  সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছে রাশাদ। সামিয়ার প্রতি ঘৃণাকারীদের প্রতি রাশাদের প্রশ্ন, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন সাংবাদিক, যার বই অ্যামাজনের মতো ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠানে আছে, তিনি নজরে আসার জন্য তার এক বেপরোয়া ছাত্রের তৈরি স্থানীয় একটি ফালতু জার্নালে প্রকাশের জন্য কি অন্যের লেখা চুরি করবেন?’

রাশাদ লিখেছে, ‘বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ সর্বকালের সবচেয়ে যৌন বৈষম্যবাদীদের অন্যতম এবং পশ্চাদপদ।’

তার দাবি, কেবল ঈর্ষা থেকে তার মায়ের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে। তার মা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা ছাত্রী ছিলেন। দুবার স্বর্ণপদক জিতেছেন। নিউজটোয়েন্টিফোরবিডিতে শীর্ষপদে কর্মরত আছেন। বাংলাদেশের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘকাল ধরে অধ্যাপনা করছেন। গত দু্ই দশকের বেশি সময় ধরে তিনি তিলে তিলে নিজেকে এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। এখনও কর্মজীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্য নিত্য পরিশ্রম করছেন। এর পরও ঘৃণাকারীরা ঘৃণা করবেই। কারণ এতেই তারা সুখ খুঁজে পায়।

প্রসঙ্গত,  গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’-এর ডিসেম্বর সংখ্যায় সামিয়া রহমান ও সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। ওই প্রবন্ধের বিরুদ্ধে লেখা চুরির অভিযোগ আনে ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো প্রেস।

শিকাগো প্রেসের অভিযোগ, প্রবন্ধের সিংহভাগ নেওয়া হয়েছে প্রখ্যাত দার্শনিক মিশেল ফুকোর প্রবন্ধ ‘The Subject and Power’ থেকে। ১৯৮২ সালে তা শিকাগো জার্নালে প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ -⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ
আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.’র জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)