মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
রবিবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৪ মাঘ ১৪৩২
Headline : ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ -⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ       আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা       অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.’র জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল       তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি       টোক সংবাদপত্র পাঠক ফোরাম পাঠাগারের মুখপত্র উন্নয়ন স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন       এনইআইআর বাস্তবায়ন সময়োপযোগী ও জরুরি পদক্ষেপ: মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন       গণভোট না হলে জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না: বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ      
এমএলএম ফাঁদ : শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার গল্প
।। বার্তা প্রেরক:- হিমু আহমেদ। শিক্ষাতথ্য ডটকম।।
Published : Tuesday, 14 December, 2021 at 11:36 AM
শিক্ষাতথ্য, ঢাকা (১৪ ডিসেম্বর, ২০২১) :-
মাল্টিলেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) প্রতারণার অনেকগুলো গল্পের মত একই রকম গল্পের সূচনা হয় ২০২১ সালের মাঝামাঝি। পাবনার ইউসুফ রাজ তালুকদার এবং ইমরান হোসেন নতুন করে একটি ফাঁদ পাতেন ঢাকায় বসে।তারা দুজন মিলে গড়ে তোলেন দুর্বার এক্সপ্রেস লিমিটেড নামে একটি এমএলএম কোম্পানি। 
ইউসুফ রাজ তালুকদারের স্ত্রী নীলা রাজকে চেয়ারম্যান এবং ইউসুফ রাজকে এমডি করে গড়ে তোলা হয় দুর্বার এক্সপ্রেস লিমিটেড নামের একটি নামসর্বস্ব এমএলএম কোম্পানি। প্রতারণার ফাঁদ পাততে গিয়ে প্রথমে তারা বেছে নেন তাদের পরিচিত কয়েকজনকে। প্রতিটি আইডি ১৬৫০ টাকা হিসেবে ৩০০ টি আইডি ক্রয় করার লোভনীয় প্রস্তাব দেন তারা। এ পদগুলোর নাম দেয়া হয় কো-ফাউন্ডার। এভাবে বিগত জুন মাসের মধ্যেই তারা ৫০ জনের কাছে জনপ্রতি ৩০০টি আইডি বিক্রয় করে তাদের প্রতারণার প্রথম দফা পূর্ণ করেন। এরপর শুরু হয় দ্বিতীয় দফা প্রতারণার পালা। প্রতিটি আইডি থেকে ২০ টাকা হিসাবে ১৫ দিনে ৩০০ টাকা করে ক্যাশব্যাক দেয়া হচ্ছিল। টাকা-পয়সা লেনদেনের পূর্ণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করছিল ইউসুফ রাজ তালুকদার তার নিজস্ব বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্ট এবং বিকাশ-নগদ একাউন্টের মাধ্যমে। তখন এসপিসি এবং আরএসটি নামে আরো দুটো বড় এমএলএম কোম্পানি তাদের গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে টাকা পয়সা দেয়া বন্ধ করে দেয়ায় সবাই ধীরে ধীরে ঝুঁকছিল দুর্বার এর দিকে। এই সুযোগে প্রথমদিকে নিয়মিত ক্যাশব্যাক দেয়া শুরু করে রাজ এবং ইমরান।

এসব লোভনীয় প্রস্তাব বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেলে প্রচার করতে থাকেন ইউটিউবার ফ্রিল্যান্সার কাউসার, সুজন, ইব্রাহিম পাঠানসহ অনেকেই। ফলশ্রুতিতে লোভনীয় প্রস্তাবের ফাঁদে পা দিয়ে পুরাতন এবং নতুন গ্রাহকরা লক্ষাধিক আইডি ক্রয় করে। co-founder দের মধ্যে অনেকেই আবার লোভের ফাঁদে পা দিয়ে প্রথম ৩০০ আইডি ক্রয়ের পর আরও ১০০০/২০০০ করে আইডি ক্রয় করে নতুন করে প্রতারণার ফাঁদে পা দেয়। এভাবে দুই দফা প্রতারণার পর্ব সম্পন্ন হওয়ার পর তারা শুরু করে তৃতীয় দফা প্রতারণা। কোম্পানি খুব বিপদে আছে একথা উল্লেখ করে ৫০ জন co-founder এর কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা করে ঋণ চাওয়া হয়। যারা দুই লক্ষ টাকা করে ঋণ দেবে না তাদের co-founder পদ বাতিল করার হুমকিও দেয়া হয়। এবার সাইদুল ইসলাম, নাজমুল ইসলাম, সায়েক আহমদ সহ কয়েকজন co-founder তাদের ফাঁদে পা দেন। যারা টাকা দিতে পারেননি তাদের co-founder পদ বাতিল করে দেয়া হয়। ইতোমধ্যে মোহাম্মদ রাসেল উদ্দিন নামে আরেক প্রতারক তাদের সাথে যোগ দেয়। রাসেল উদ্দিন কে দেয়া হয় ডিএমডি নামে নতুন পদ। এ সময় দেখা যায় ইউসুফ রাজ তালুকদার এবং রাসেল উদ্দিন ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী সহ বিভিন্ন জায়গায় বিমানে চড়ে যাতায়াত এবং ফাইভ স্টার হোটেলে থাকা শুরু করে। কোম্পানি বিভিন্ন চুক্তিতে স্বাক্ষর করছে বলে গ্রাহকদেরকে ধোঁকা দেয়া শুরু হয়। এভাবে শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার পর তারা এসপিসি, আরএসটি এবং এরকম অন্যান্য প্রতারক কোম্পানির মত ক্যাশব্যাক এর টাকা দেয়া বন্ধ করে দেয় এবং গ্রাহকদের কাছে বারবার সময় চায়। গত ১৩ ডিসেম্বর আল আমিন নামে একজন কো-ফাউন্ডার জানান আগস্ট থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত গ্রাহকদের ক্যাশব্যাক এর ৩০ কোটি টাকা না দিয়ে ইউসুফ রাজ তালুকদার দুবাইয়ে পালিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করছে। 

এ সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই সকল গ্রাহকদের পক্ষ থেকে co-founder দের মধ্যে কয়েকজন এমডির বিদেশ যাওয়া বন্ধ করার জন্য আইনগত প্রস্তুতি নেয়ার জন্য মিটিং করেন। মাহমুদ কায়সার, শাপলা খান, আল আমিন, সাইদুল ইসলাম, সায়েক আহমদ, নাজমুল ইসলাম সহ কয়েকজন co-founder বলেন সবারই দুর্ভাগ্য, সবাই কোনো না কোনোভাবে লোভের বশবর্তী হয়ে এসব প্রতারকদের ফাঁদে পা দিয়েছেন। এখন সারাদেশে যেন নতুন করে এরা প্রতারণা করতে পারে সে জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এজন্য তারা পল্টন থানায় যোগাযোগ করে আইনগত সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। পাশাপাশি এইসব প্রতারকরা যেন দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে না পারেন এবং নতুন করে সারাদেশে প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করতে না পারেন সে জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

অবশ্য দেরিতে হলেও বাংলাদেশ সরকার এসব প্রতারকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানির  নামে প্রতারণার অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গত শনিবার রাতে সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ওই চক্র প্রায় পাঁচ লাখ ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে জানিয়েছে সিআইডি। প্রতারণার শিকার বেশির ভাগই নারী। গ্রেপ্তার সাত ব্যক্তি হলেন- মো. আবুল হোসেন পুলক (৪০), মো. মাহাদী হাসান মল্লিক (৩৫), মো. মিজানুর রহমান ওরফে ব্রাভো মিজান (৫৫), মো. মহিউদ্দিন জামিল (৩৮), মো. সাইফুল ইসলাম আকন্দ (৪২), মো. কভেজ আলী সরকার (৩৫) ও মো. শাহানুর আলম শাহীন (৪২)। তবে তাঁদের ঠিকানা জানানো হয়নি। এর মধ্যে মিজানুর রহমান দুর্বার এক্সপ্রেস এর এমডি ইউসুফ রাজ তালুকদারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বলে জানা যায়।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৯টি মোবাইল ফোন, ২০টি সিম কার্ড, একাধিক ব্যাংক হিসাবের চেকবই, একাধিক ব্যাংকের এটিএম কার্ড, ভুয়া এমএলএম কম্পানির পরিকল্পনার কাগজপত্র এবং নগদ ৬২ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।

গত রবিবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির ঢাকা মহানগরের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক ইমাম হোসেন বলেন, চক্রটির চারটি অনলাইন কোম্পানি আছে। এই চারটি কোম্পানির মাধ্যমে গত এক বছরে প্রায় পাঁচ লাখ লোকের কাছ থেকে তারা অন্তত ৫০ কোটি টাকা  হাতিয়ে নিয়েছে। সিআইডির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক বলেন, এই চক্রের হোতা আবুল হোসেন পুলক ও মাহাদী হাসান মল্লিক। এঁরা দুজন একসময় ডেসটিনিতে কাজ করতেন। সেখান থেকে এমএলএম ব্যবসা সম্পর্কে ধারণা নিয়ে তাঁরা অনলাইনে এই প্রতারণা করে আসছিলেন। এরা এক মাসে দ্বিগুণ লাভের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের সঙ্গে প্রতারণা করতেন।

ইমাম হোসেন বলেন, ‘চক্রটির সদস্যরা এটাকে নেটওয়ার্ক মার্কেটিং বলেন। এদের মাধ্যমে প্রতারিতদের বেশির ভাগই নারী। পুলিশ এদের খোঁজ নিচ্ছে। তারা ঘরে বসে কিছু অর্থ আয় করার লোভে এই চক্রটির ফাঁদে পা দেয়।’ সিআইডি সূত্র জানায়, চক্রটি প্রথমে একটি অনলাইন গ্রুপ খুলে তাদের ব্যবসার বিষয়ে প্রচারণা শুরু করে। কৌশল হিসেবে তারা বলত, তাদের এখানে টাকা বিনিয়োগ করলে ১৫ দিনে অথবা ৩০ দিনে দ্বিগুণ করে দেবে। মাত্র এক হাজার ৮৫০ টাকা জমা দিয়ে তাদের কোম্পানির সদস্য হওয়া যাবে বলে চক্রটি প্রচার চালাত।

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, নতুন সদস্য আনতে চক্রটির ভিন্ন কৌশল ছিল। চক্রের সদস্যরা প্রতি নতুন সদস্যের জন্য ৫০ টাকা করে দিতেন। এভাবে দেড় শ সদস্য আনতে পারলে ‘স্টার’ সদস্য ঘোষণা করতেন তাঁরা। আর স্টার সদস্যকে আইফোন, গাড়ি ও বিদেশে ট্যুরের প্রলোভন দেখানো হতো। এসব প্রলোভনে একেকজন কমপক্ষে তিন হাজার নতুন সদস্য নিয়ে আসতেন। আবার বেশি সদস্য আনার জন্য কিছু স্টার সদস্যকে নিয়ে দেশ-বিদেশে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেন তাঁরা।
প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়া টাকা কোথায় আছে এবং এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো সিআইডি বন্ধ করবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এসব অনলাইন প্ল্যাটফর্ম বন্ধ করার এখতিয়ার আমাদের নেই, তবে আমরা এ বিষয়ে সুপারিশ করব। তাঁরা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে টাকাগুলো বিভিন্ন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নিয়েছেন। এ ছাড়া প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়া টাকার মধ্যে কিছু তাঁরা বিনিয়োগ করেছেন, কিছু টাকা দিয়ে বিশাল বিশাল অনুষ্ঠান করেছেন। কিছু টাকা ব্যাংকে রেখেছেন।’ 

ইউসুফ রাজ তালুকদার মিডিয়াকে হাতে রাখার জন্য রাজ মাল্টিমিডিয়া নামে একটি ইউটিউব চ্যানেল চালু করে। এ চ্যানেলে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জারের ছেলে রুবেল খন্দকার, সঙ্গীতশিল্পী মাহতিম শাকিব, বিতর্কিত টিকটক অপু, মডেল নেহা আক্তার, রেজওয়ান শেখ,  তরুণ নির্মাতা রাজু আহমেদ সহ অনেককেই ম্যানেজ করে ইউটিউব চ্যানেল চালু রাখায় সবাই তার উপর বিশ্বাস স্থাপন করেছিল। ভুক্তভোগী হাজার হাজার গ্রাহক ইউসুফ রাজ তালুকদার যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারে সে জন্য সরকারের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও তারা সরকারের নিকট দাবী জানান। প্রতারিত গ্রাহকরা জানান অবিলম্বে তারা মানববন্ধনের আয়োজন করতে যাচ্ছে।


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ -⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ
আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.’র জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)