মাসিক শিক্ষাতথ্য পত্রিকা ২০০৮ সাল থেকে প্রিন্ট ভার্সনে প্রকাশিত হচ্ছে যার রেজি: ডি.এ. নাম্বার: ৫০৮৫, ঢাকা
প্রিন্টিং সংস্করণ
রবিবার ১৮ জানুয়ারী ২০২৬ ৪ মাঘ ১৪৩২
Headline : ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ -⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ       আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা       অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.’র জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল       তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি       টোক সংবাদপত্র পাঠক ফোরাম পাঠাগারের মুখপত্র উন্নয়ন স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন       এনইআইআর বাস্তবায়ন সময়োপযোগী ও জরুরি পদক্ষেপ: মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন       গণভোট না হলে জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে না: বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ      
শিশু ভিক্ষুক সবসময় ঘুমায় কেন???????
পেশাজীবী ভিক্ষার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলুন
Published : Monday, 29 April, 2019 at 9:46 AM

শিক্ষাতথ্য অনলাইন ডেস্ক: 
ভিক্ষা নিয়ে একটি স্ট্যাটাসে দৃষ্টি আটকে গেল। ভিক্ষা নিয়ে আজ যা হচ্ছে তা সত্যি ভয়াবহ। এ থেকে মুক্তির উপায় আমাদেরকেই বের করতে হবে। এখানে স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরছি:
“সারাবিশ্বেই ভিখারিদের এক অবস্থা। বিশ্বজুড়ে যেখানেই আপনি ভিক্ষুকের কোলে ছোট কোনো বাচ্চা দেখতে পাবেন, খেয়াল করে দেখবেন বাচ্চাটি ঘুমিয়ে আছে। কী বাংলাদেশ, আর কী ব্যাংকক, আমেরিকা। কখনও কি মনে প্রশ্ন জেগেছে, ভিক্ষুকের কোলের বাচ্চাটি সবসময় ঘুমিয়ে থাকে কেনো?
এই প্রশ্নের উত্তরের পিছনে রয়েছে, ভয় জাগানিয়া দারুণ বীভৎস এক কাহিনী। এই চিত্র শুধু কোন একটি দেশের নয়। পৃথিবীর সব দেশের কাহিনী প্রায় একইরকম। এই ভিক্ষুকদের পিছনে কাজ করে সুসংগঠিত সন্ত্রাসী মাফিয়া বাহিনী, যারা রাস্তার মোড়ে মোড়ে থাকা প্রায় প্রতিটি ভিক্ষুককেই পরিচালনা করে।
সাধারণত এই মাফিয়া গ্রুপগুলো ভিক্ষুকদেরকে নিজেদের জিম্মায় রাখে। প্রতিদিন সকালে নিজেদের দায়িত্বে রাস্তার মোড়ে মোড়ে এনে বসিয়ে দিয়ে যায়। আবার সন্ধ্যা হলে নিজেদের দায়িত্বেই তাদেরকে আখড়ায় ফিরিয়ে নেয়। এরপর ভিক্ষুকের সারাদিনের যা ‘আয়’ তার সবটুকুই চলে যায় ওই মাফিয়া গ্রুপের হাতে। ভিক্ষুকের কপালে জোটে শুধু এক বেলার খাবার।
আজ থেকে খেয়াল করবেন, রাস্তার পাশে ছোট শিশু নিয়ে যারা ভিক্ষা করছে তাদের অধিকাংশেরই কোলে থাকা শিশুটি ঘুমে বিভোর। কোলে নেয়া মহিলাটির ভাঁজ করা পায়ে নাকমুখ গুঁজে চুপচাপ ঘুমাচ্ছে শিশুটি। আর রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা তাদের ব্যথায় সমব্যথী টাকা দান করে যাচ্ছেন।

একটি শিশু সারাদিন চুপচাপ ঘুমিয়ে কাটায় কিভাবে? তাও আবার ব্যস্ত সড়কের পাশে হাজারো গাড়ির হর্ন এবং নানা রকম শব্দের মাঝে? এখানেই রয়েছে চমকে যাওয়ার মতো উত্তর। প্রতিদিন ভিক্ষা করতে আসার আগে কোলের ওই শিশুটিকে নেশাদ্রব্য খাইয়ে ঘুম পাড়ানো হয়, তারপর সারাদিন ধরে নির্বিঘ্নে ভিক্ষাবৃত্তি চলে।
এইভাবে দিনের পর দিন নেশাদ্রব্য খাওয়ানোর ফলে কিছুদিন পরেই ওই শিশুটি মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে। তারপর ওই শিশুটির স্থান দখল করে নেয় অন্য কোনো শিশু। ফলে আরও একটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন, কিছুদিন পরপরই তাদের কোলের শিশুটি বদলে যাচ্ছে। নতুন নতুন শিশু কোলে নিয়ে দিনের পর দিন একইভাবে চলছে ভিক্ষাবৃত্তি।
প্রশ্ন উঠে, এতো এতো বাচ্চা-শিশু ওই মাফিয়া গ্রুপগুলোর হাতে কোত্থেকে আসে? আসলে এদের অধিকাংশই চুরি করা শিশু অথবা টাকার অভাবে থাকা মাদকসেবী পরিবারের কাছ থেকে ভাড়া নেয়া।
দেশের প্রথম সারির দৈনিক প্রথম আলোতে এমন একটি ঘটনা উঠে এসেছিলো। ৩০-১২-২০১০ তারিখে ‘শিশুদের পঙ্গু করে নামানো হচ্ছে ভিক্ষায়’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন ছাপায় পত্রিকাটি। ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি প্রভাবশালী চক্র বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুদের ধরে নিয়ে গিয়ে পঙ্গু বা অচল করে দেয়। তারপর তাদেরকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ভাড়া দেয়।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, একটি অ্যালুমিনিয়ামের পাতিলের ভেতর টানা ছয় মাস আট-নয় বছরের এক শিশুকে জড়সড় করে আটকে রাখা হয়। সারাদিনে শুধু একবার সামান্য ভাত অথবা রুটি-পানি দেয়া হতো তাকে। এইভাবে দিনের পর দিন একটি পাতিলের ভিতর থাকতে থাকতে শিশুটি কঙ্কালসার হয়ে পড়ে। এরপর তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে ভাড়া দেওয়া হয়।এছাড়া অনেক শিশুকেই ধরে এনে কব্জি, পায়ের রগ, পুরুষাঙ্গ কেটে দিয়ে অথবা বুকে, ঘাড়ে, মাথায় আঘাত করে অচল বানিয়ে দেয়া হতো। তারপর তাকে দিয়ে চলতো ভিক্ষার ব্যবসা।
সারা বিশ্বেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে অথবা তাদের সাথে যোগসাজশ রেখেই এসব ব্যবসা চলে। তাই এদেরকে সামাজিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য এখন থেকে কোলে শিশু নিয়ে থাকা কোনো ভিক্ষুককেই আর কখনো টাকা-পয়সা দান করবেন না - এই প্রতিজ্ঞা নিন। খাবার, পানি দিতে পারেন, কিন্তু টাকা-পয়সা কখনোই নয়। আপনার এই অভ্যাসে হয়তো বেঁচে যাবে কোনো একটি শিশুর প্রাণ।”
(Collected from Facebook: Syed Ashib Zaman Rony).... ধন্যবাদ।

ভিক্ষাবৃত্তি: ইসলাম কি বলে?
ইসলামে অসহায় বিপন্ন মানুষের সহায়তা এবং অনগ্রসর মানুষের টিকে থাকার কৌশল হিসেবে দান-সাদকা ও জাকাতের বাধ্যবাধকতা করেছে। সেই সাথে কর্মসংস্থানের জন্য শ্রমের মর্যাদা দিয়ে যেমন উৎসাহিত করেছে তেমনি পরিশ্রম না করে ঘৃণিত পেশা ভিক্ষাবৃত্তি করতে নিরুৎসাহিত করেছে।
তবে মানবিক ও সামাজিক বোধের কারণে সরলপ্রাণ অনেকে বিশ্বাস করে ভিক্ষুকদের যত্রতত্র দান-খয়রাত করেন। আর যত্রতত্র দান করার ফলে দিন দিন ভিক্ষুকের সংখ্যা শুধু বেড়েই চলছে তা নয়। বরং ভিক্ষাবৃত্তি সিন্ডিকেট করে একশ্রেণির লোক একে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। এতে সমাজের ভারসম্য যেমন নষ্ট হচ্ছে তেমনি অমান্য হচ্ছে ইসলামের হুকুম। অভিযোগ রয়েছে, ভিক্ষুক সিন্ডিকেটের লোকেরা শিশুদের অপহরণ করে অঙ্গহানির মতো ঘটনা ঘটিয়ে তাদের দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি করিয়ে থাকে। তাদের সৃষ্ট অগণিত লোমহর্ষক ঘটনা রয়েছে; যার বর্ণনায় গা শিউরে ওঠে এবং বিষয়টি ভয়ংকর একটা পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে।

তাই ইসলামে ভিক্ষাবৃত্তিকে কখনো প্রশ্রয় দেয়নি। বরং কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তারা মানুষের কাছে পীড়াপীড়ি করে ভিক্ষা চায় না’ (সুরা বাকারা: ২৭৩)।
এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেন, ‘যে ব্যক্তি অভাব ব্যতীত ভিক্ষা করলো; সে যেন জাহান্নামের আগুন ভক্ষণ করলো (মুসনাদে আহমদ: ৫১)। 
অন্য হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ তায়ালার কাছে বৈধ কাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিচুমানের ও রাগ সৃষ্টিকারী কর্ম হলো স্ত্রীকে তালাক দেওয়া ও ভিক্ষাবৃত্তি করা (ইবনে মাজাহ: ৪৩৬)।
নবীজি (সা.) আরো বলেন, ‘ভিক্ষাবৃত্তি ক্ষত স্বরূপ; এর দ্বারা ভিক্ষুক মুখমন্ডলকে ক্ষত-বিক্ষত করে’ (সুনানে নাসায়ি: ৯৮)।
অন্য হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি অপ্রয়োজনে ভিক্ষা করে, সে হাতে অঙ্গার রাখার মতো ভয়াবহ কাজ করে’ (বায়হাকি: ৬৩৪)।অপর এক হাদিসে নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ বৃদ্ধির জন্য কারো কাছে ভিক্ষা চায়; সে তো জাহান্নামের আগুন ভিক্ষা চায়। তার ইচ্ছা, সে চাইলে জাহান্নামের আগুন কম ভিক্ষা করতে পারে বেশিও ভিক্ষা করতে পারে’ (সুনানে ইবনে মাজা: ৫৮৯)।
ইসলাম একে অপরকে সাহয্য করার এবং বিপদে ধন-সম্পদ দান করার নির্দেশ দিয়েছে। তবে সে দান-খায়রাত ভিক্ষাবৃত্তির আদলে নয়; বরং দানকারীর স্বেচ্ছায় ও সন্তুষ্টিক্রমে হতে হবে। মহানবী (সা.) ভিক্ষাবৃত্তিকে তুচ্ছ জ্ঞান করে ইরশাদ করেন, ‘উপরের হাত নিচের হাত থেকে উত্তম।’ (মুসলিম: ৩৩২) 
মুগিরা ইবনে শুবা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা সম্পদ অপচয় ও ভিক্ষাবৃত্তি পছন্দ করেন না’ (সহিহ বোখারি: ১৪৫৫)। হজরত সাওবান (রা.) সূত্রে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি এইমর্মে প্রতিশ্রুতি দিবে যে, সে অন্যের কাছে হাত পাতবে না। আমি তার জান্নাতের জিম্মাদারী গ্রহণ করবো’ (সুনানে ইবনে মাজা: ৫৮৮)।
অতএব আসুন! আমরা ভিক্ষুকদের ভিক্ষাবৃত্তি থেকে বিরত রাখতে সচেষ্ট হই এবং তাদেরকে কর্মমুখী ও স্বাবলম্বী করার প্রতি উৎসাহ দেই। ইসলামের সুমহান শিক্ষা ও আদর্শের কথা তাদের কাছে পৌঁছে দেই। যাতে সমাজ ও দেশ থেকে ভিক্ষাবৃত্তি মতো ঘৃণ্য অভিশাপ দূর করা সম্ভব হয়।


এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও প্রকাশকের পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা বেআইনী।



সর্বশেষ সংবাদ
ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্যই আইনসভার উচ্চকক্ষ -⁠অধ্যাপক আলী রীয়াজ
আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৬ জনকে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা
অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি.’র জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী সংগঠনসমূহের উদ্যেগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল
তামাক করনীতি প্রণয়ন ও কর ফাঁকি রোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি
সর্বাধিক পঠিত

  • ফেসবুকে আমরা
    বিশেষ জ্ঞাতব্য: বিজ্ঞাপন ও অনুদানের চেকটি Masik ShikshaTotthow নামে A/C Payee প্রদান করতে হবে। অথবা হিসাবের নাম: মাসিক শিক্ষাতথ্য (Masik ShikshaTotthow), হিসাব নাম্বার: ৩৩০২২৩৮৪, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, শিল্পভবন কর্পোরেট শাখা, ঢাকা”-তে অনলাইনে ক্যাশ/চেক জমা দেওয়া যাবে। তৃতীয়ত: ক্যাশ পাঠানো যাবে-বিকাশ: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪, ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। রকেট: ০১৭১৬২০৫৩০৪০। এজেন্ট ব্যাংকিং নাম্বার: ৭০১৭৫১১৭৬০৬২৭ (ডাচ-বাংলা ব্যাংক)।


    ● সাক্ষাৎকার
    ● শিক্ষা সংবাদ
    ● সারাদেশ
    ● জাতীয়
    ● রাজনীতি
    ● আন্তর্জাতিক
    ● সাহিত্য চর্চা
    ● চাকরীর তথ্য
    ● ব্যাংক-বীমা অর্থনীতি
    ● সম্পাদকীয়
    ● শুভ বাংলাদেশ
    ● সুধীজন কথামালা
    ● বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি
    ● প্রতিষ্ঠান পরিচিতি
    ● শিক্ষক কর্ণার
    ● শিক্ষার্থী কর্ণার
    ● সফলতার গল্প
    ● বিশেষ প্রতিবেদন
    ● নিয়মিত কলাম
    ● মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
    ● অনিয়ম-দুর্নীতি
    ● ভর্তি তথ্য
    ● বিনোদন
    ● লাইফস্টাইল
    ● খেলাধুলা
    ● ধর্ম ও জীবন
    ● পাঠকের মতামত
    ● জন্মদিনের শুভেচ্ছা
    ● বিবাহ বার্ষিকীর শুভেচ্ছা
    ● শোকগাঁথা
    ● স্বাস্থ্যতথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য প্রকাশনী
    ● টিউটোরিয়াল
    ● ইতিহাসের তথ্য
    ● প্রবাসীদের তথ্য
    ● অন্যরকম তথ্য
    ● শিক্ষাতথ্য পরিবার
    সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মাদ তছলিম উদ্দিন
    ২২৩ ফকিরাপুল (১ম লেন), মতিঝিল, ঢাকা থেকে সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক প্রকাশিত
    এবং প্রিন্ট ভার্সন : আলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরাপুল (১ম লেন), ঢাকা-১০০০ থেকে মুদ্রিত।
    ফোন: ৭১৯১৭৫৮, মোবাইল: ০১৭১৫৬৬৫৫৯২। বিজ্ঞাপন: ০১৮১৯১৪৩৬৬৪,
    ইমেইল: shikshatotthow@gmail.com (নিউজ এন্ড ভিউজ), ad.shiksha2008.gmail.com (বিজ্ঞাপন)